রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) ২৫ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট কমাল। নতুন রেপো রেট দাঁড়াল ৬.২৫%।
২০২০ সালের পর এই প্রথমবার RBI সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিল। নতুন গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রার নেতৃত্বে এটি প্রথম মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠক ছিল।
বাজেটের পর থেকেই বিশেষজ্ঞরা অনুমান করেছিলেন রেপো রেট কমবে। সাধারণত রেপো রেট কমলে ব্যাঙ্ক লোনেও সুদের হার কমে। এতে সাধারণ মানুষের স্বস্তি মেলে। ঋণের EMI-এর অঙ্ক কমে।
আগে জেনে নিন, রেপো রেট ঠিক কী? আসলে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্করা RBI থেকে যে সুদে স্বল্পমেয়াদী ঋণ নেয়, তাকে রেপো রেট বলে।
এই রেপো রেট বাড়লে ব্যাঙ্কের খরচ বাড়ে। তখন ব্যাঙ্ক খরচ তুলতে ঋণে সুদের হার বাড়ায়। আবার রেপো রেট কমলে ব্যাঙ্কও সাধারণত সুদের হার কমায়। ফলে রেপো রেট ও লোনের ইন্টারেস্ট রেট সমানুপাতিক বলা যেতে পারে। তবে একই হারে, বা অবশ্যই কমবে-বাড়বে, এমন কোনও নিয়ম নেই। যদিও সাধারণত ব্যাঙ্ক রেপো রেট কমালে কয়েকদিনের মধ্যে নিজেদের ইন্টারেস্ট রেট কমায়। এর ফলে EMI কমতে পারে। গৃহঋণ, গাড়ির ঋণ ও ব্যক্তিগত ঋণের সুদের হার কমতে পারে।
এর পাশাপাশি ব্যবসার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেওয়া সহজ হবে। বিনিয়োগের প্রবণতা বাড়বে, যা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক।
ব্যাঙ্কগুলির ঋণ নেওয়ার খরচ কমবে। কম সুদে সাধারণ গ্রাহকদের ঋণ দিতে পারবে ব্যাঙ্ক।
রেপো রেট কমলে বাজারে বেশি নগদ প্রবাহ বাড়বে। অর্থনীতির ভাষায় একে বলে লিকুইডিটি বৃদ্ধি। এর ফলে অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।
রেপো রেট কমায় ঋণের সুদের হার কমতে পারে। EMI কমলে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কমবে। আরও আপডেটের জন্য bangla.aajtak.in-এ নজর রাখুন।