বিজেপি সরকারের বাজেটে ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ ফেরানোর ইঙ্গিত। এতে স্টার্টআপ ও ব্যবসায় ফান্ডিং সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, NSE-BSE প্রতিযোগিতা ও পরিকাঠামোর সঙ্গে পাল্লা দেওয়া বেশ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিমবঙ্গের বাণিজ্য ও পর্যটনে গতি আসবে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ২০২৫-এর অধীনে হলদিয়াকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার ২২ জুন এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হয়।
চিংড়িঘাটা ও নিউটাউনের মধ্যে এলিভেটেড করিডর তৈরির ঘোষণা করা হয়েছে। এই করিডরটি ইএম বাইপাস এবং সল্টলেক সেক্টর V-কে যুক্ত করবে এবং যানজট কমিয়ে নিউটাউনের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করবে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও ডিএ বৃদ্ধির প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন। বলেন, 'এই সরকার কর্মীদের সঙ্গে নিয়েই চলবে। যা বকেয়া আছে তা মেটানোর কাজ শুরু হয়েছে। বাকিটাও দেওয়া হবে। শুধু সরকারকে একটু সময় দিতে হবে। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভিক্ষা দেওয়ার মতো ২ থেকে ৩ শতাংশ দিয়েছিলেন।
EPF Interest Utility: ইপিএফওর নিয়ম বলছে, কোনও সদস্য চাকরি ছেড়ে দিলেও বা কিছুদিনের জন্য বেকার থাকলেও তাঁর পিএফ অ্যাকাউন্টে থাকা টাকার উপর সুদ পাওয়া যায়। যতদিন অ্যাকাউন্টে টাকা থাকবে এবং সদস্যের বয়স ৫৮ বছরের কম থাকবে, ততদিন ইপিএফও ঘোষিত সুদের হার অনুযায়ী সুদ যুক্ত হতে থাকবে।
জলপথে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সুগম করার পাশাপাশি সুন্দরবনে গড়ে তোলা হবে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। রাজ্যের এই ব-দ্বীপ এলাকার জন্য আর কী কী ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।
এরপরই কেন্দ্র ও রাজ্যের বকেয়া ডিএ-র ব্যবধান মেটানোর প্রসঙ্গে বলেন, 'কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের ডিএ-র ব্যবধান ছিল ৪২ শতাংশ। ২০ শতাংশ আমাদের সরকার দিল। সেটা অক্টোবর থেকেই পেয়ে যাবেন। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আপনাদের অনেক কথা শুনিয়েছিলেন।'
Calcutta Stock Exchange Revival: নিয়ন্ত্রক সংক্রান্ত সমস্যা, পুরনো প্রযুক্তি ইত্যাদির অভাবে ২০১৩ সাল থেকে কার্যত বন্ধ ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ। সম্প্রতি সেখানকার প্রতিনিধিরা নতুন সরকারের কাছে স্টক এক্সচেঞ্জ ফেরাতে সহায়তার আর্জি জানিয়েছিলেন।
তিনি জানালেন, একটি প্রধান জেলা শহরকে কেন্দ্র করে একাধিক মন্দিরকে সংযুক্ত করে উপযুক্ত পর্যটন কর্মসূচি তৈরি করা হবে। ভ্রামরীদেবী, নন্দিকেশ্বরী, তারাপীঠ, বক্রেশ্বর, ফুল্লরা ও কঙ্কালীতলাকে অনুর্ভূক্ত করা হবে। এছাড়াও শ্রীচৈতন্য দেবকেও আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া হল বাজেটে।
'ভরসা কর্মসূচি' প্রকল্পে অক্টোবর ২০২৬ থেকে মাসিক ৩ হাজার টাকা ভাতা মিলবে। এই প্রকল্পে স্নাতক বেকারদের জন্য মাসে ৩০০০ টাকা এবং অন্যদের মাসে ২০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। এই কর্মসূচি পরিবারের আয় এক লক্ষ টাকার কম এবং যাঁরা অন্য কোনও সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না, তাঁদের জন্য প্রযোজ্য হবে।
রাজ্যের বিজেপি সরকারের প্রথম অর্থমন্ত্রী হিসেবে ঠিক বেলা ১২টায় বিধানসভায় বাজেট পেশ শুরু করেন স্বপন দাশগুপ্ত। বাজেটের শুরুতেই নিয়োগ নিয়ে বড় ঘোষণা করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। জানিয়ে দেন রাজ্য সরকারের ১ লক্ষ শূন্য পদে শীঘ্র নিয়োগ হবে। এরমধ্যে ৩৩ শতাংশ পদ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।