২০১৯ সাল থেকে শুধু দুর্গাপুজোর ‘উপহার’ হিসেবে কিছু ইলিশ পাঠায় বাংলাদেশ। অতিমারির পর থেকে সেই পরিমাণ আরও কমেছে। এবারও আশা করা হচ্ছে পুজোর সময় ইলিশ আসবে পদ্মা থেকে। তবে এবছর উলট্পুরাণ ঘটেছে। এই প্রথম বার বাংলাদেশে উৎপাদন কম হওয়ায় ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করেছে ঢাকা। ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ এক নম্বরে হলেও এহেন ঘটনায় স্বভাবতই সেদেশে অস্বস্তি বেড়েছে। ফলে ভারত থেকে হঠাৎ করেই ইলিশ আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা বসাল তারেক রহমানের সরকার। ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে সেই নিষেধাজ্ঞা।
বাংলাদেশে ২৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ ঘাটতি চলছে, ফলে দেশের একটি বড় অংশই দিনে প্রায় ১০ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে কাটায়। নিজেদের দেশের সরকারের অক্ষমতা ঢাকতে ভারতকে ঢাল বানাতে চেষ্টা করছে বিএনপি। বিএনপি নেতা রিজভি এমনিতেই তীব্র ভারত বিদ্বেষী।
দুর্গাপুজোর আগে প্রতিবারই বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আসে ভারতে। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের বাজারে। ২০২৫ সালেও তা অল্প পরিমাণে এসেছিল। অথচ চলতি বছর থেকে গুজরাতের ইলিশ যাচ্ছে বাংলাদেশে।
আবুল কালাম আজাদ নামে এক বাংলাদেশি প্রায় ২৭ বছর ধরে UAE-তে বাস করছেন ও কাজ করেন। তাঁরও ভিসা বাতিল করা হয়েছে। আবুল কালামের কথায়, 'আমি গত ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে ফিরেছিলাম। ২৪ জুলাই একটি ই-মেল পেলাম। দেখলাম, আমার ভিসা বাতিল করে দিয়েছে UAE। কোনও কারণও লেখা ছিল না।'
জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতেই দেশভাগ হয়েছিল। সেই জিন্নাহকে এখন মাথায় তোলা হচ্ছে পাকিস্তানে। ভুলে যাচ্ছে শেখ মুজিবুর রহমানের আন্দোলন।
মিউজিয়ামে অন্তত তিনটি জিন্নার ছবি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চের সেই বক্তব্যের ছবি, যেখানে জিন্না পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
কুনমিং থেকে মায়ানমার হয়ে বাংলাদেশে যাবে চিন। চিনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিং এই নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেখান থেকে মায়ানমারের পরিবহণ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাংলাদেশে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে।
ওবায়দুল কাদের তখন ছিলেন আওয়ামী লিগের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, আওয়ামী লিগ, যুবলিগ ও ছাত্র লিগের সশস্ত্র ক্যাডার ও আইনশৃঙ্খলা এজেন্সিগুলিকে তিনিই নির্দেশ দিতেন, আন্দোলনকারীদের হত্যা ও নির্যাতনের।
ভারতকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি এবার বদল আসছে সুরে? যে ভারতকে নিয়ে এতদিন বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচনা, বিতর্ক আর কূটনৈতিক টানাপড়েন—সেই ভারতকেই এবার যেন নতুন করে ‘সীমারেখা’ দেখিয়ে দিল তারেক রহমানের সরকার। বার্তা একেবারে স্পষ্ট—সম্পর্ক থাকবে, বন্ধুত্ব থাকবে, দরকারে দিল্লির সঙ্গে হাত মিলিয়েই চলবে ঢাকা। কিন্তু ভারতকে নিয়ে অতিরিক্ত মুগ্ধতা? না, এবার আর নয়!
পদ্মার ইলিশের দিকে চেয়ে থাকে বাঙালি। অথচ এখনও তার কোনও খবরই নেই। বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আসার পরিবর্তে ভারত থেকে ঢাকায় যাচ্ছে ইলিশ। তাহলে কি এবার পুজোয় ইলিশ আর আসবে না?
বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য, ঢাকা চায় নতুন করে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে। এই প্রক্রিয়া দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সম্ভব। মোদ্দা বিষয়, পাকিস্তানের পাল্লায় পড়ে ঢাকা যে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, BRICS-এ ভারতের দুনিয়াদারি দেখে এখন সুর নরম করছে বাংলাদেশ।