ইন্ডিয়া টুডে ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে এই ঘটনা কোনও মুসলিম পরিবার বা ব্যক্তির যোগ নেই। জমি সংক্রান্ত পারিবারিক বিবাদের কারণে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষই আরেক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে কোপ দেন।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি মোথাবাড়ি, মালদার নয়। এমনকি ভারত বা পশ্চিমবঙ্গেরও নয়, বরং বাংলাদেশের।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে এই ভিডিওটি আসল নয় বরং স্ক্রিপ্টেড। এই ভিডিওতে দুজনেই শুধুমাত্র অভিনয় করেছেন।
আজতাক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গ তো নয়ই এমনকি ভারতেরও নয়। বরং সেটিতে ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর বাংলাদেশের সিলেটে বিএনপি-র বিক্ষোভের সময় ভাঙচুরের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেকে উঠে এসেছে যে ঘটনাটি পাঁচ বছর পুরনো এবং সেই সময় বেশিরভাগ মূলধারার সংবাদ মাধ্যমে এই সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করা হয়েছিল।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পুজো করতে দেওয়া হয় না সংক্রান্ত যে দাবি করা হচ্ছে তা সঠিক নয়। বরং বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ইফতার পার্টির পাশাপাশি প্রতিবছর সরস্বতী পুজো, দোল এমনকি দুর্গাপুজোরও আয়োজন করা হয়।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ের নয়। বরং ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে হরিয়ানার গুরুগ্রামে প্রকাশ্যে জুম্মার নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে বিবাদের সময় তোলা হয়েছিল। এর সঙ্গে রমজান মাসের কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে উভয় দাবিই ভুল। ভিডিওটি তুরস্ক বা ইরান, কোনও দেশেরই নয় এবং এই জনসমাগমের সঙ্গে প্যালেস্তাইনের কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওতে কোনও মুসলিম যুবকের খুন হওয়ার দৃশ্য নয়। বরং এতে গত ১৪ মার্চ হোলির দিন দিল্লির দ্বারকায় অনিচ্ছাকৃতভাবে রং দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাজু কুমার ও রাজেশ নামক দুই হিন্দু যুবককে মারধরের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে এই ঘটনাটি সাম্প্রতিক নয় বরং ২০২২ সালের জুলাই মাসের এবং ঘটনায় মূল অভিযুক্তই মুসলিম সম্প্রদায়ের এক নারী।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি ২০২০ সালের জুলাই মাসে মধ্যপ্রদেশের গুনা জেলায় তোলা হয়েছিল। সেই সময় প্রশাসন এক কৃষক দম্পতির তরফে দখলকৃত সরকারি জমি উদ্ধার করতে গেলে তারা কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তবে এই ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়নি বরং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তারা সুস্থ হয়ে ওঠেন।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি পাকিস্তান আর্মির সদর দফতরের নয়। বরং সেটি চলতি বছরের ১৮ মার্চ সিরিয়ার পূর্ব ঘৌতার দৌমা শহরে একটি তেলের ট্যাঙ্কার বিস্ফোরণের দৃশ্য।