ছোটেবেলায় পাঠ্য বইতে পড়া উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন-মুসৌরিকে যদি একবার চাক্ষুস করতে চান, তাহলে দিব্যি ঘুরে আসতে পারেন এই রাজ্য থেকে। ট্রেন হোক কিংবা প্লেন আর হাতে প্রচুর সময় থাকলে নিজেদের বাহনে করেই বেড়িয়ে আসতে পারেন মুসৌরি থেকে। এখানকার অপরূপ পাহাড়ি দৃশ্য আপনার মন ভালো করতে বাধ্য।
বাঙালির কাছে ঘরের পাশে সস্তায় ঘুরতে যাওয়ার সেরা ঠিকানা হল দার্জিলিং। গরমের ছুটিতে পরিবার নিয়ে হোক কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে উইকএন্ডে একটু কোয়ালিটি টাইম কাটানোর ইচ্ছে হলে টুক করে ঘুরে আসতে পারেন উত্তরবঙ্গের এই শৈল শহর থেকে। দার্জিলিংয়েরই উচ্চতম অংশ পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সান্দাকফু। এখানে সব সময় ঠান্ডা। গরম থাকে না বললেই চলে।
মনোরম দৃশ্য, বৌদ্ধ সংস্কৃতি এবং ট্রেকিং করার ইচ্ছা যদি থাকে তাহলে ঘুরে আসতে পারেন সিকিম থেকে। সিকিমের লাচুংয়ে শীতে বরফ পড়ে। এমনকী এপ্রিলেও পড়ে। এখন বাঙালি তো বটেই দেশ-বিদেশের পর্যটকদেরও এর মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, তুষারপাত দিয়ে আকৃষ্ট করছে। অন্য সময় বরফ না পড়লেও হিম ঠান্ডা বয়ে যায় সব সময়।
অনেক দিন ধরেই ঘুরতে যেতে মন চাইছে? কিন্তু বুঝে উঠতে পারছেন না ঠিক কোথায় যাবেন? প্রকৃতির কাছাকাছি থেকে যদি অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান তাহলে বেড়িয়ে আসুন সিমলা থেকে। হিল স্টেশনের রানী নামে পরিচিত, এটি বর্তমানে দেশ বিদেশের পর্যটকদের কাছে একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
বসন্তের শেষবেলায় যখন চড়ছে উষ্ণতার পারদ তখন দক্ষিণের এই পাহাড়ি রাজ্য থেকে ঘুরে আসতে পারেন আপনি। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঘুরে আসুন দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর উ-টি থেকে। মে মাসে একসঙ্গে লক্ষাধিক ফুলে সেজে উঠবে দক্ষিণের এই পাহাড়ি এলাকা। ফুল, ফলের ঐতিহ্যবাহী প্রদর্শনী দেখা যাবে উটি-তে।
হিমালয়ের কোলে অবস্থিত মানালি হানিমুন হোক কিংবা এমনিই ঘুরতে যাওয়ার জন্য এককথায় অসাধারণ। এটি ট্রেকিং, স্কিইং এবং অন্যান্য অ্যাডভেঞ্চারে পরিপূর্ণ ট্রিপের স্মৃতি উপহার দেবে আপনাকে। যা মনে থাকবে সারাজীবন।
ছোটেবেলায় পাঠ্য বইতে পড়া উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন-মুসৌরিকে যদি একবার চাক্ষুস করতে চান, তাহলে দিব্যি ঘুরে আসতে পারেন এই রাজ্য থেকে। ট্রেন হোক কিংবা প্লেন আর হাতে প্রচুর সময় থাকলে নিজেদের বাহনে করেই বেড়িয়ে আসতে পারেন মুসৌরি থেকে। এখানকার অপরূপ পাহাড়ি দৃশ্য আপনার মন ভালো করতে বাধ্য।
ইদুক্কি হল কেরল রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় ঘোরার জায়গা। ইদুক্কির চারদিক উঁচু গাছে ঘেরা। রাস্তা দিয়ে হাঁটলে মনে হয় যেন প্রকৃতি জড়িয়ে ধরে আদর করছে। এখানকার পাহাড়ের উপরে রয়েছে একটি ৬৫০ ফিট দীর্ঘ, ৫৫ ফিট উঁচু খিলান বাঁধ। বাঁধ এবং সবুজ প্রকৃতির সমাহার মন ভরিয়ে দেবে। এই সবুজ পাহাড়ি শৈলশহরটিতে অভয়ারণ্য, চা বাগান এবং পাহাড়ে ট্রেকিং সহ অনেক কিছু দেখার আছে।
যোশীমঠের একদিকে যেমন রয়েছে নিজস্বতা তেমনই এটি উত্তরাখণ্ড রাজ্যে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। চার ধামের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রও বটে। এটি ধর্মীয় পর্যটকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। ধর্মকর্ম করতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন এখান থেকে।