প্রয়াগরাজে সঙ্গমে জলে উচ্চ মাত্রায় বিপজ্জনক ব্যাক্টেরিয়া। তাও আবার মানুষের মলে থাকা ব্যাক্টেরিয়ায় ভরে গিয়েছে জল।
ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় গ্রিন ট্রাইবুনাল। সেন্ট্রাল পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের রিপোর্ট রীতিমতো আশঙ্কাজনক। সঙ্গমের জলে হাই লেভেলে মানুষের মলে থাকা ব্যাক্টেরিয়া ভর্তি।
গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রয়াগরাজের জলের দূষণের রিপোর্টটি পেশ করা হয়েছে। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, মহাকুম্ভে জলে উচ্চমাত্রায় রয়েছে মানুষের মলে থাকা ব্যাক্টেরিয়া।
রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, মহাকুম্ভে কোটি কোটি মানুষ পুণ্যস্নান করছেন। বিশেষ করে যে সব পুণ্যদিনে অমৃত স্নান হয়েছে, সেই সব দিনে সবচেয়ে বেশি ব্যাক্টেরিয়া বেড়েছে সঙ্গমের জলে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, শাহি স্নানের দিনগুলিতে মানুষের মলে পাওয়া ব্যাক্টেরিয়ার মাত্রা সবচেয়ে বেশি সঙ্গমের জলে।
ট্রাইবুনালের বিচারক ও কলকাতার হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ওই রিপোর্ট পর্যালোচনা করে উত্তরপ্রদেশে দুষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডকে সমন পাঠিয়েছেন।
সঙ্গমের জলে দূষণ রুখতে সরকার কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
প্রয়াগরাজে নিকাশিব্যবস্থা গত বছরের ডিসেম্বর থেকেই স্ক্রুটিনি করা হচ্ছে। সঙ্গমের জলের দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে কড়া ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় গ্রিন ট্রাইবুনাল।
দূষিত নিকাশি জল যেভাবে গঙ্গা ও যমুনায় মিশেছে, তা নিয়ে অতীতেও উদ্বেগ জানিয়েছিল ট্রাইবুনাল।
ইতিমধ্যেই প্রয়াগরাজে সঙ্গমে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ পবিত্র স্নান সেরেছেন। এখনও চলছে মেলা। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি শিবরাত্রিতে শেষ শাহি স্নান। সেদিনই মেলা শেষ হবে।
এবারে ১৪৪ বছরের পুণ্যতিথিতে আয়োজিত হয়েছে এই মহাকুম্ভ। শনি, রবি, বৃহস্পতির অবস্থানের উপর ভিত্তি করে এই তারিখ তৈরি হয়।
রেকর্ড যাচাই করতে এসে পড়েছেন গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের কর্তারাও। প্রশাসনের তথ্য বলছে, মাঘী পূর্ণিমা তিথিতে স্নান সেরেছেন ২.১ কোটি।