পুকুরে ডুব দিলেই মিলছে পয়সা, ভাগ্যে থাকলে সোনা-রুপোও, কোথায়?

জলে ডুব দিলেই এখন মিলছে পয়সা আর পয়সা। ভাগ্য সহায় থাকলে হাতে আসে সোনা, রুপোও। এক একদিনে উঠছে খুচরো ৩০০ থেকে ৫০০ টাকাও। যদিও, সারা বছর কিন্তু এমন দিন যায় না। শুধমাত্র এই সময়ই জলে ডুব দিলে পয়সা পাওয়া যায় বলেই জানালেন যুবকরা।

Advertisement
পুকুরে ডুব দিলেই মিলছে পয়সা, ভাগ্যে থাকলে সোনা-রুপোও, কোথায়?পুকুরে ডুব দিলেই মিলছে পয়সা, ভাগ্যে থাকলে সোনা-রুপোও, কোথায়?
হাইলাইটস
  • ভাগ্যে থাকলে হাতে মেলে স্নানের সময় হারিয়ে যাওয়া সোনা রুপোর গয়নাও
  • আর এই পুকুর থেকেই পাওয়া টাকা দিয়ে মেলায় আনন্দ করছে তারা

জলে ডুব দিলেই এখন মিলছে পয়সা আর পয়সা। ভাগ্য সহায় থাকলে হাতে আসে সোনা, রুপোও। এক একদিনে উঠছে খুচরো ৩০০ থেকে ৫০০ টাকাও। যদিও, সারা বছর কিন্তু এমন দিন যায় না। শুধমাত্র এই সময়ই জলে ডুব দিলে পয়সা পাওয়া যায় বলেই জানালেন যুবকরা। ঠাকুরনগর বারুণী মেলার পূণ্যস্নান ঘিরে লক্ষাধিক ভক্তসমাগমে কামনা পুকুরে ডুব দেওয়ার হিড়িক লক্ষ্য করা যায়। অনেক ভক্তই মনোস্কামনা পূরণের উদ্দেশ্যে এক টাকা, দু টাকা, পাঁচ টাকার কয়েন কামনা পুকুরে দেন। লক্ষাধিক ভক্তের এহেন দানে কামনা পুকুরে প্রচুর পরিমাণে খুচরো পয়সা জড়ো হয়।

আর এলাকার কচিকাঁচা থেকে যুবকরা মেলার খরচ তুলতে এরপর থেকেই নেমে পড়েন ঠাকুরবাড়ির এই পুকুরে। চুম্বক ব্যবহার করে তোলে খুচরো পয়সা। শুধু পয়সাই নয়, ভাগ্যে থাকলে হাতে মেলে স্নানের সময় হারিয়ে যাওয়া সোনা রুপোর গয়নাও। এমনটাই জানালেন পয়সা খোঁজা যুবকরা। তাই এখন নানাভাবে চিরুণী তল্লাশি চলছে ঠাকুরনগর ঠাকুর বাড়ির কামনা পুকুরের জলে। আর এই পুকুর থেকেই পাওয়া টাকা দিয়ে মেলায় আনন্দ করছে তারা।

মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে যেমন এই কামনা পুকুর অন্যতম বিশ্বাসের জায়গা, ঠিক তেমনই বর্তমানে স্থানীয় আশপাশের এলাকার যুবকদের কাছেও ঠাকুরবাড়ির এই পুকুর হয়ে উঠেছে পয়সার খনি। যদিও গঙ্গার ধারে সারাবছরই এই দৃশ্য দেখা যায়। তবে সেই পয়সার পরিমাণ অনেকাংশই কম ঠাকুরনগরের কামনা পুকুরের এই প্রাপ্তির কাছে। তাই এখন সারাদিন এইভাবেই কামনা পুকুরে ঝাঁপ চলছে খুচরো পয়সার আশায়।

POST A COMMENT
Advertisement