Suri Clash: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর তুমুল সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র সিউড়ি

বীরভূমের সিউড়ি থানার অন্তর্গত কেন্দুয়া পঞ্চায়েতের গোপালপুর গ্রামে খেলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। একে অপরকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ইট বৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ। বাঁশ দিয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। একে অপরকে মারধরও করা হয়। ইদের খেলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় শেখ জালালউদ্দিন গোষ্ঠীর লোকজনের সঙ্গে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা রৌশনারা বিবির লোকজনের মধ্যে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই রৌশনারা বিবি সিউড়ি ২ ব্লকের সভাপতি নুরুল ইসলামের অনুগামী।

Advertisement
তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর তুমুল সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র সিউড়িদুই গোষ্ঠীর তুমুল সংঘর্ষে রণক্ষেত্র সিউড়ি

বীরভূমের সিউড়ি থানার অন্তর্গত কেন্দুয়া পঞ্চায়েতের গোপালপুর গ্রামে খেলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। একে অপরকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ইট বৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ। বাঁশ দিয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। একে অপরকে  মারধরও করা হয়। ইদের খেলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় শেখ জালালউদ্দিন গোষ্ঠীর লোকজনের সঙ্গে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা রৌশনারা বিবির লোকজনের মধ্যে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই রৌশনারা বিবি সিউড়ি ২ ব্লকের সভাপতি নুরুল ইসলামের অনুগামী। 

এক পক্ষের অভিযোগ স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা রৌশনারা বিবির লোকজন অন্য গোষ্ঠীর উপর চড়াও হয় ৷ অভিযোগকারীদের দাবি, পঞ্চায়েত সদস্য এলাকায় যে কোনও সরকারি কাজে টাকা নিচ্ছে। তাই অপর গোষ্ঠী প্রতিবাদ করায়  বুথ পরিচলনার জন্য কমিটি তৈরি করা হয়। তার জন্যই পঞ্চায়েত সদস্যার লোকজন এসে অশান্তি করেছে। মারধর করেছে। যদিও পঞ্চায়েত সদস্যার লোকজনের পাল্টা দাবি, ওই পক্ষের লোকজন ইচ্ছা করে অশান্তি পাকাচ্ছে। ওই পক্ষের লোকজনই বরং এসে মারধর ভাঙচুর করেছে।

নতুন করে যাতে উত্তেজনা না ছড়িয়ে পড়ে সে কারণে ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে সিউড়ি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনাই ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি আহত হন। তাদের প্রত্যেককেই সিউড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, যদিও এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে

সংবাদদাতাঃ শান্তনু হাজরা

POST A COMMENT
Advertisement