Advertisement
পশ্চিমবঙ্গ

কাটোয়ার গীধেশ্বর এবার থেকে পুজো দিতে পারবেন দাসরাও, ঘুচল অস্পৃশ্যতার শৃঙ্খল

  • 1/9

অবশেষে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার গীধগ্রামের গীধেশ্বর মন্দিরের গর্ভগৃহে ঢোকার বাধা কাটল সেই গ্রামের দলিত পরিবারগুলির। অন্যদের মতো মন্দিরের গর্ভগৃহে ঢুকে পুজো দিতে যেতে পারবেন দাস সম্প্রদায়ের পরিবারগুলি। 

  • 2/9

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ভাঙল অস্পৃশ্যতা ও জাত-পাতের বৈষম্যের বেড়াজাল। বুধবার ফুল, ফল, মিষ্টি, ধূপ-বাতি সহযোগে ডালা সাজিয়ে নিয়ে পাঁচ দলিত পরিবারের মহিলা গীধেশ্বর মন্দিরে ঢোকেন। পুরোহিত নাম-গোত্র দিয়ে তাঁদের পুজো দেন।

  • 3/9

৩৫০ বছরের পুরনো শিব মন্দির। স্থানীয়েরা জানান, এই শিব ‘গীধেশ্বর’ নামে পরিচিত। সারা বছর নিত্যপুজো হয়। শিবরাত্রি গাজন উৎসবে অনেক ধুমধাম হয়। 

Advertisement
  • 4/9

কয়েকদিন আগে গীধগ্রামের দাসপাড়ার কয়েকজন বাসিন্দা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছিলেন যে গিধেশ্বর মন্দিরে পুজো দিতে দাস পাড়ার পরিবারগুলিকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। ঢুকতে গেলে গালিগালাজ করা হচ্ছে। 

  • 5/9

এ নিয়ে এসডিও-র দারস্ত হয়েছিলেন তাঁরা। দাসপাড়ার বাসিন্দাদের দাবি ছিল তাঁরা যেন শিবরাত্রির দিন গ্রামের মন্দিরে শিবের মাথায় জল ঢালতে পারেন। কিন্তু তখন প্রশাসন তাঁদের নিষেধ করে। প্রশাসনের কথামতো শিবরাত্রির দিন মন্দিরে জল ঢালতে যায়নি দাসপাড়ার বাসিন্দারা। 

  • 6/9

পরে এসডিও বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল পুজো অর্চনার অধিকার গ্রামের সকল মানুষ সমানভাবে পাবেন। তবে শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। গত শুক্রবারও একই ঘটনা ঘটে। তা নিয়েই গ্রামে উত্তেজনা ছাড়ায়। 

  • 7/9

শুক্রবার কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের বিডিও এবং কাটোয়ার এসডিপিও পুলিশ বাহিনী নিয়ে গিয়ে দাসপাড়ার বাসিন্দাদের মন্দিরে জল ঢালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিয়ে গেলে ফের গ্রামের বাকি বাসিন্দারা মন্দিরে ঢুকতে বাধা দেয়। 

Advertisement
  • 8/9

সেখানেই শুরু হয় বচসা এবং ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে যায় এলাকায়। এরপর RAF মোতায়ন করে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ।

  • 9/9

মঙ্গলবার এনিয়ে মহকুমা শাসকের দফতরে বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই সর্ব সন্মতিতে সিদ্ধান্ত হয় মন্দিরের দরজা সকলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তারপরই বুধবার সকালে গীধেশ্বর শিব মন্দিরে পুজো যান দাস পাড়ার দলিত সম্প্রদায়ের মহিলারা। সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে পৌঁছে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

Advertisement