প্রতি বছর শান্তিনিকেতনের দোল উৎসব ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা তুঙ্গে থাকে। এই বছরও তাই।
১৪ মার্চ দোল উৎসব পালন হলেও, বিশ্বভারতীতে বসন্ত উৎসব হবে ১১ মার্চ। তবে এই বছরও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যে বহিরাগতদের প্রবেশের অনুমতি নেই।
গত বছরের মতো এই বছরও বিশ্বভারতীর শিক্ষক এবং বর্তমান শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে ওই উৎসব পালন করবেন।
শান্তিনিকেতনে প্রতি বছরই দোল উৎসবকে ঘিরে মানুষের উৎসাহ থাকে তুঙ্গে। এই নিয়ে ৬ বছর বিশ্বভারতীর বন্তোৎসবে বন্ধ রাখা হল দরজা।
যদিও ইতিমধ্যেই বিশ্বভারতীর বিভিন্ন বিভাগে দোল উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছে।
বোলপুর শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীর ঐতিহ্যবাহী বসন্তোৎসবে এক সময় দেশ থেকে বিদেশের পর্যটকদের সমাগম হত।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের পর থেকে নানা কারণে সেই উৎসবে সাধারণ মানুষের প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেওয়া হয়। ২০২৩ এবং ২০২৪ সালেও শুধুমাত্র বিশ্বভারতীর পড়ুয়া, শিক্ষক ও আধিকারিকদের উপস্থিতিতে বসন্ত উৎসব পালন করা হয়।
বিশ্বভারতীর বসন্তোৎসবে অংশ নিতে না পারলেও দোলের দিন শান্তিনিকেতনে পর্যটকের সমাগম প্রতিবছরই দেখার মতো হয়।
সোনাঝুরি, রতনপল্লী সহ একাধিক জায়গায় প্রচুর মানুষকেই রংয়ের খেলায় মেতে উঠতে দেখা যায়।
এই বছর ১৪ মার্চ শান্তিনিকেতনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কাউন্সিলররা দোল উৎসবের আয়োজন করেছেন।