Bengal Sikkim Car Number Increasing: তিন বছর পর সিকিমের পরিবহণ দফতরের সঙ্গে পারস্পারিক সমঝোতা চুক্তি ( reciprocal agreement) সাক্ষর করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। দুই রাজ্যের সরকারি ও বেসরকারি যান চলাচলে বেশ কিছু নতুন উদ্যোগ নিতে চলেছে দুই রাজ্যের সরকার। বুধবার এই বিষয়ে শিলিগুড়ির স্টেট গেস্ট হাউজে পারস্পারিক এ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। এদিনের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী, পরিবহন সচিব সৌমিত্র মোহন, শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব, পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর, সিকিমের পরিবহন উপদেষ্টা মদন সেন্টুরি, পরিবহণ কমিশনার রাজ যাদব সহ দুই রাজ্যের পরিবহন সচিব, জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা।
জানা গিয়েছে, আগে দুই রাজ্যের মধ্যে প্রায় তিন হাজার যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচল করত। বিগত বছর গুলিতে পর্যটক ও যাত্রীদের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাথে সাথে সেই সংখ্যা দুই রাজ্যের ক্ষেত্রে বাড়িয়ে সাড়ে চার হাজার করা হয়েছে বলে খবর । এছাড়াও আগামীতে দুই রাজ্যের মধ্যেই দশটি করে ইলেকট্রিক বাস চালুর বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দুই রাজ্যের যাতায়াতের রাস্তা আরো মসৃণ এর ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ ফলপ্রসূ হবে বলে মনে করছে পর্যটন ব্যবসার সাথে যুক্ত ব্যবসায়ীরা।
এই বিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী জানান, ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় প্রতিবেশী রাজ্যের সাথে সুগম যাতায়াতের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সিকিমের সাথে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হলো। বেশ কিছু পদক্ষেপ আগামীতে নেওয়া হবে যার দরুন উপকৃত হবেন দুই রাজ্যেরই রাজ্যবাসীরা।
পারমিট সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত
পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া পারমিট গাড়ির সিকিমে প্রবেশের ক্ষেত্রে নতুন করে স্টেট পারমিট লাগবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন। এ রাজ্যের তরফে বৈঠকে উপস্থিত শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, ‘সমস্ত পয়েন্ট নিয়েই আমাদের আলোচনা হয়েছে। এরপর পুরো বিষয়টা সরকারের কাছে যাবে। তারপর রেসিপ্রোকাল চুক্তির পর্যায় যাবে।’
অন্যদিকে, বাংলার পর্যটন ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বাসচালকরা সিকিমে যাওয়ার পর বিভিন্ন সময় হয়রানির মুখে পড়ার অভিযোগ করলেও ব্যাপারটা অস্বীকার করেছেন সিকিমের পরিবহণ দপ্তরের উপদেষ্টা মদন সিনচুরি। তাঁর বক্তব্য, ‘হেনস্তার কোনও ঘটনা ঘটে না। কাগজপত্র সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকলে ফাইন হতে পারে।’ অন্যদিকে, বাস মালিকদের তরফে নির্দিষ্ট বাসস্ট্যান্ড সহ স্টপের দাবি করা হয়েছিল। এব্যাপারে সিকিমের পরিবহণসচিবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি অবশ্য বিষয়টা এড়িয়ে যান।