লিগ শিল্ড জেতা হয়ে গিয়েছে। এবার লক্ষ্য আইএসএল কাপ। পুরোদমে প্রস্তুতি চলছে মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের। এর মধ্যেই মোহনবাগান শিবির ঘোরতর সমস্যায় মাঠ নিয়ে। সেটা প্র্যাক্টিস মাঠই হোক, কিংবা যুবভারতীর ম্যাচ গ্রাউন্ড। আইএসএল সংগঠক এফএসডিএলের পক্ষ থেকে এর মধ্যেই যুবভারতীর মাঠ নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, মাঠের সারফেস বেশ খারাপ। যাতে বড় ধরনের চোট পেতে পারেন ফুটবলাররা।আর স্টেডিয়ামে সংলগ্ন দুটো ট্রেনিং গ্রাউন্ডের হাল তো আরও খারাপ। সারা বছর ধরে এখানে টানা ট্রেনিং চলছে। মাঠ পরিচর্যার সুযোগ কম।
ফলে মাঠের হাল বেশ খারাপ। এক নম্বর গ্রাউন্ডের গোলপোস্টের নীচের অংশে ঘাস উঠে এতটাই শক্ত হয়ে গিয়েছে যে মোহনবাগান কোচ মোলিনা সেখানে কিপারদের ট্রেনিং করাতে বারণ করে দিয়েছেন। অথচ ট্রেনিং করানোর জন্য মোহনবাগান টিমের এ বার সল্টলেকের মুখাপেক্ষী হওয়ার দরকার ছিল না।
মরসুম শুরুর আগে টিম ম্যানেজমেন্ট প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা খরচ করে মোহনবাগান ক্লাবের মাঠ তৈরি করেছিল। এখানে প্র্যাক্টিসের সব কিছু পরিকাঠামো তৈরি থাকায় মোলিনা অত্যন্ত খুশি হয়েছিলেন। প্রাক মরসুমটা এখানে হওয়ায় টিমের কন্ডিশন যে কতটা ভালো হয়েছে, তা টিমের ফলই বলে দিচ্ছে। এর সঙ্গে টিমের কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা চেয়েছিলেন, ক্লাবের মাঠে প্র্যাক্টিস হলে সদস্য সমর্থকরা তা উপভোগ করতে পারবেন। আর সিনিয়র টিমের প্র্যাক্টিস না হলে সেখানে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্র্যাক্টিস করবে ক্লাবের বাকি পাঁচটা বয়সভিত্তিক টিম।
দিমিত্রি-শুভাশিসদের প্র্যাক্টিস দেখতে মাঠে প্রচুর ভিড়ও তাই দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু মরসুমের মাঝপথেই টিমকে নিজেদের মাঠ থেকে সরতে হয়েছে। কারণ তিন মাসের বেশি সময় এই মাঠ দখল হকির অধীনে। হকি এখন অ্যাস্ট্রো টার্ফে হলেও কেন এই মাঠ আটকে রাখা হচ্ছে, তা অজানা। ক্লাব কর্তারা বারবার চাপ দিলেও হকি নিজেদের অধিকার ছাড়ছে না। তারা মাঠ আটকে রাখবে মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত। অর্থাৎ সুপার কাপের প্রস্তুতিতেও ঘরের মাঠ পাবেন না মলিনা।
এই অবস্থায় আগামী মরসুমে টিমের প্র্যাক্টিস আর মোহনবাগান মাঠে ফিরতে নাও পারে। শোনা যাচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট বিকল্প মাঠের সন্ধানে নেমে পড়েছেন।