নর্থ ইস্টকে ২ গোলে হারিয়ে সেমি ফাইনালে চলে গেল জামশেদপুর। প্রথম থেকেই দাপট দেখিয়েছে খালিদ জামিলের দল। এরপর সেমিফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের সামনে জামশেদপুর।
প্রথমার্ধেই এগিয়ে গিয়েছিল জামশেদপুর। ২৯ মিনিটে দারুণ শটে গোল করে যান স্টিফেন এজে। প্রথম পোস্ট লক্ষ্য করে শট নিয়ে গোল পান তিনি। বক্সের মধ্যে ভুল করে বসেছিলেন নর্থ ইস্টের নেস্টর। তিনি ঠিকভাবে থ্রো থেকে আশা বল ক্লিয়ার করতে পারেননি। ফলে বিপদ বাড়ে নর্থ ইস্টের। বল পেয়ে রকেট গতিতে শট গোলে ঢোকে। গোলকিপার গুরমিতের কিছু করার ছিল না।
তবে তার আগে গোল করার সুযোগ এসে গিয়েছিল নর্থ ইস্টের সামনে। গোললাইন সেভ করেন গোলকিপার অ্যালবিনো গোমস। না হলে এগিয়ে যেত নর্থ ইস্টই। ৮ মিনিটে রিদিম লাং-এর ক্রস হাতে লাগে ম্যাকারটনের। তবে গোল না হওয়ায় তা নিয়ে বিতর্ক হয়নি। প্রথমার্ধে ১ গোলেই এগিয়ে ছিল জামশেদপুর।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ে হাবি হার্নান্দেজের গোলে। ম্যাচের একেবারে শেষ মিনিটে ঋত্বিকের দক্ষতায় দারুণ বল পান হাবি। দুই ডিফেন্ডারকে দারুণভাবে কাটান তিনি। ক্রস করেন বক্সের ভেতরে। বল পান হাবি। গোল করতে ভুল করেননি। গুরমিত মাটিতে পড়ে যান। তাঁকে কাটিয়ে শট করেন হাবি।
গোটা ম্যাচে মাঝখান থেকে কোনও আক্রমণ করতে পারেনি নর্থ ইস্ট। বারবার দুই প্রান্ত ব্যবহার করতে গিয়ে সমস্যায় পড়টে হয়েছে। দারুণ ফুটবল খেলেছেন প্রণয় হালদার। নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এগিয়ে থেকেই এই ম্যাচে মাঠে নেমেছিল। কারণ অক্টোবর মাসে এই জামশেদপুর এফসিকে তাঁরা ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে জামশেদপুরের মাঠে গিয়েও তাঁদের ২-০ গোলে হারিয়েছিল আলাদিনরা। এদিন খেলার শুরু থেকেই আধিপত্য ছিল তাঁদেরই। কিন্তু প্রথমে তাঁরাই পিছিয়ে পড়ে নিজেদের ভুলে।
৫২ মিনিটে জীতিন এমএসের শট একটুর জন্য বারের ওপর থেকে চলে যায়। ৫৯ মিনিটে নেস্টরের ফ্রি কিক থেকে ঠিকঠাক হেড করতে পারলেন না আলাদিন। বল পজিশনে দেখা যাচ্ছিল জামশেদপুরের থেকে অনেক এগিয়ে ছিল নর্থইস্ট, কিন্তু মরিয়াভাবে ডিফেন্স করে গেলেন জামশেদপুরের ফুটবলাররা। ৮২ মিনিটে জর্ডন মারের পাস থেকে গোলের সুবর্ণ সুযোগ মিস করেন সিভেরিও, নাহলে তখনই ম্যাচে জয় নিশ্চিত করে ফেলতে পারত জামশেদপুর। অ্যালবিনো গোমস এদিন জামশেদপুর গোল দূর্গ রক্ষা করলেন একাধিকবার।