ওড়িশার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন রূপরেখা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মোদী বলেন, ২০৩৬ সালে রাজ্যের শতবর্ষ উদযাপন এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর মতে, বিকশিত ভারতের স্বপ্নপূরণে ওড়িশা অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে।
Vastu Tips for Money: বাস্তু মতে বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিক অত্যন্ত পবিত্র। বিশ্বাস করা হয়, দেবদেবীরা এই অংশেই অধিষ্ঠান করেন। তাই বাড়ির মন্দির রাখার আদর্শ স্থান উত্তর-পূর্ব কোণ। এই দিকটি সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। ভারী আসবাব বা বাড়তি জঞ্জাল রাখলে নাকি ইতিবাচক শক্তির প্রবাহে বাধা তৈরি হয়।
পুলিশ এখন হন্যে হয়ে খুঁজছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক (পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট) সুমিত রায়কে। দলে কোনও বড় পদে না থেকেও তৃণমূল জমানার অত্যন্ত প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত ছিলেন এই সুমিত রায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর নামে একাধিক ফ্যান পেজ। কেউ কেউ বলতেন, বস। কারও কাছে ছিলেন দাদা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠবৃত্তের একজন হলেন সুমিত। শোনা যায়, অভিষেকের সঙ্গে একই স্কুলে ও ক্লাসে পড়লেও, অভিষেককে বরাবর স্যর বলেই ডাকেন সুমিত। এখন প্রশ্ন হল, কে এই সুমিত রায়?
যাত্রীদের গ্যাংটকে নিয়ে যাওয়ার জন্য এসটিডিসি সমস্ত রকম পরিবহণ ব্যবস্থার বন্দোবস্ত করেছে। গ্যাংটকে পৌঁছানোর পর এই পুণ্যার্থীদের বেশ কিছু প্রশাসনিক নিয়মকানুন সম্পন্ন করতে হবে। সেই সঙ্গে পাহাড়ের অতি উচ্চতার আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য সেখানে কয়েক দিন থাকতে হবে তাঁদের। এর পরই শুরু হবে নাথুলা পাসের আসল চড়াই।
সদ্য পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এবার তিনি রকস্টারের ভূমিকায়। ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত পরিচালিত এই ছবির নাম 'অভিমান'। ১৯ জুন আসছে যিশু, সৌরভ দাস প্রযোজিত প্রথম ছবি। প্রথমবার জুটিতে কাজ করবেন প্রসেনজিৎ এবং শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। প্রযোজকের আসনে বসার পাশাপাশি, মুখ্য চরিত্রেও রয়েছেন যিশু। bangla.aajtak.in-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে শেয়ার করলেন, কীভাবে নিজেকে ঘরবন্দি করেন তিনি। আড্ডায় উঠে এল, প্রসেনজিতের ডিভোর্স থেকে ব্যক্তিগত জীবনের অভিমানের কথা।
Dreams Meaning: কখনও নিজেকে সম্পূর্ণ অচেনা কোনও জায়গায় আবিষ্কার করা, কখনও বহু পুরনো কোনও মানুষের সঙ্গে আচমকা দেখা হয়ে যাওয়া, আবার কখনও এমন সব উদ্ভট ও অলৌকিক ঘটনা চোখের সামনে ঘটতে দেখা, যার সঙ্গে বাস্তবের কোনও দূরতম সম্পর্কও নেই।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদের অভিনব ও প্রতীকী মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে ডিম, বিশেষ করে পচা ডিম। ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, কোনও নেতা, জনপ্রতিনিধি বা বিতর্কিত ব্যক্তিত্বের কাজে অখুশি হলেই তাঁদের লক্ষ্য করে ডিম ছুড়েছে জনগণ বা কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়। ভারতেও এমন প্রতিবাদ আগে হয়েছে।