Bengal Safari Park Lion: গোপনে বেড়ে উঠছিল ১১ মাস ধরে। অবশেষে মন্ত্রীর পদক্ষেপের সুবাদে প্রকাশ্য়ে এল সিংহীশাবকের ছবি। বেঙ্গল সাফারি পার্কের নতুন অতিথি। পশুরাজ পরিবারের নবতম অতিথির আগমনে খুশি সাফারি পার্ক পরিবারও। আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে আরও একটা সিংহী আনতে চেয়ে কয়েকদিন আগেই চিঠি গিয়েছিল ন্যাশনাল জু অথরিটির কাছে। তার আগেই প্রকাশ্যে এল সুখবর।
ত্রিপুরার সিপাহিজলা চিড়িয়াখানা থেকে আনা সিংহ সুরজ ও তনয়া কয়েক মাস আগেই জোড়া শাবকের জন্ম দিয়েছিল। তার মধ্যে একটি মারা গিয়েছে বলে খবর। অন্যটি অবশ্য বেশ সুস্থভাবেই বেড়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, দুটো শাবকের জন্ম দেয় তনয়া। কিন্তু পরবর্তীতে একটি শাবকের মৃত্যু হয়। আরেকটি পুরুষ শাবককে বহু সাধ্যসাধনা করে বাঁচিয়ে তোলেন পার্ক কর্তৃপক্ষ।
এদিন বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার পার্ক পরিদর্শনে যান। তখনই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা হয়। ইতিমধ্যেই বাঘের প্রজননে নজির গড়েছে বেঙ্গল সাফারি পার্ক। বাঘের প্রজননের পাশাপাশি সিংহের প্রজননেও দেওয়া হচ্ছে জোর।
গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ত্রিপুরার সিপাহিজলা চিড়িয়াখানা থেকে শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্কে একজোড়া সিংহ নিয়ে আসা হয়েছিল। ওই সিংহ এবং সিংহীর নাম নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। এমনকি সিংহীর নাম পরিবর্তন নিয়ে মামলাও দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে। যার পরিপ্রেক্ষিতে পরিবর্তন করা হয়েছে নাম। কিন্তু সেই দুটোকে এখনও প্রকাশ্যে আনা যায়নি। কারণ সেগুলি এখনও জনসমক্ষে আসার মতো তৈরি হয়নি বলে সাফারি পার্ক সূত্রের খবর।
সিংহের জন্য জিম
সিংহের জন্য জিমের বন্দোবস্ত করা হয়েছে পার্কে। 'ফিট' থাকতে এখন তাদের নজর জিমে। শুধু শরীরচর্চাই নয়, দিনভর মেতে থাকছে খেলাধুলোতেও। গোটা দেশে এই প্রথম সিংহের জন্য আস্ত জিম তৈরি হয়েছে বেঙ্গল সাফারি পার্কে। সাফারি পার্কে যে এনক্লোজারে সিংহ জুটিকে সাফারির জন্য ছাড়া হয়েছে সেখানে এলাহি ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্নানের জায়গা থেকে শুরু করে জল খাওয়ার জন্য জায়গায় জায়গায় পুকুর তৈরি হয়েছে। বিশ্রাম নেওয়ার জন্যে একাধিক এলাকায়
গাছের সঙ্গে শেড বানানো হয়েছে।
গত বছর অক্টোবরে সিংহজুটিকে প্রকাশ্যে আনার পরিকল্পনা থাকলেও সিংহগুলি ঠিকমতো অভ্যস্ত না হওয়ায় এখনও তাদের বাইরে সাফারির জন্য আনা যায়নি। কবে আনা যাবে তা এখনও পরিষ্কার করে বলতে পারেননি সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ।পাশাপাশি হাওড়ার ডিয়ার পার্ক থেকে দুটি ফিশিং ক্যাট (মেছো বিড়াল) পাঠানো হচ্ছে কোচবিহারের রসিকবিল মিনি চিড়িয়াখানায় (Rasikbeel Mini Zoo)।