শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্কে (Siliguri Bengal Safari Park) আসছে সিংহ পরিবারের নয়া সদস্য। এবার আসছে আরও এক সিংহী। আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে সাফারি পার্ক যার পোশাকী নাম নর্থবেঙ্গল ওয়াইল্ড অ্যানিমাল পার্কে (North Bengal Wild Animal Park)-এ একটি সিংহী আনা হচ্ছে বলে খবর। ২১ মার্চ রাজ্য জু-অথরিটির পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে অরণ্য ভবনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।
গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ত্রিপুরার সিপাহিজলা চিড়িয়াখানা থেকে শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্কে একজোড়া সিংহ নিয়ে আসা হয়েছিল। ওই সিংহ এবং সিংহীর নাম নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। এমনকি সিংহীর নাম পরিবর্তন নিয়ে মামলাও দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে। যার পরিপ্রেক্ষিতে পরিবর্তন করা হয়েছে নাম। কিন্তু সেই দুটোকে এখনও প্রকাশ্যে আনা যায়নি। কারণ সেগুলি এখনও জনসমক্ষে আসার মতো তৈরি হয়নি বলে সাফারি পার্ক সূত্রের খবর।
আগে যে দুটি সিংহকে সাফারি পার্কে আনা হয়েছিল, সেটির মধ্যে একটি সিংহী। তার হরমোনাল ট্রিটমেন্ট চলায় প্রজনন হচ্ছে না। যে কারণে রাজ্য জু-অথরিটি আরও একটি সিংহীকে বেঙ্গল সাফারি পার্কে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। তাহলে এখানে প্রজনন হতে পারবে।
সিংহের জন্য জিম
সিংহের জন্য জিমের বন্দোবস্ত করা হয়েছে পার্কে। 'ফিট' থাকতে এখন তাদের নজর জিমে। শুধু শরীরচর্চাই নয়, দিনভর মেতে থাকছে খেলাধুলোতেও। গোটা দেশে এই প্রথম সিংহের জন্য আস্ত জিম তৈরি হয়েছে বেঙ্গল সাফারি পার্কে। সাফারি পার্কে যে এনক্লোজারে সিংহ জুটিকে সাফারির জন্য ছাড়া হয়েছে সেখানে এলাহি ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্নানের জায়গা থেকে শুরু করে জল খাওয়ার জন্য জায়গায় জায়গায় পুকুর তৈরি হয়েছে। বিশ্রাম নেওয়ার জন্যে একাধিক এলাকায়
গাছের সঙ্গে শেড বানানো হয়েছে।
গত বছর অক্টোবরে সিংহজুটিকে প্রকাশ্যে আনার পরিকল্পনা থাকলেও সিংহগুলি ঠিকমতো অভ্যস্ত না হওয়ায় এখনও তাদের বাইরে সাফারির জন্য আনা যায়নি। কবে আনা যাবে তা এখনও পরিষ্কার করে বলতে পারেননি সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ।পাশাপাশি হাওড়ার ডিয়ার পার্ক থেকে দুটি ফিশিং ক্যাট (মেছো বিড়াল) পাঠানো হচ্ছে কোচবিহারের রসিকবিল মিনি চিড়িয়াখানায় (Rasikbeel Mini Zoo)।