Darjeeling Toy Train: দার্জিলিং যাওয়ার নয়া বাহানা তৈরি, ১৯৪৩ সালের পর টয়ট্রেনে ফিরল এই বন্দোবস্ত

Darjeeling Toy Train: ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের খেতাব পায় দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (Darjeeling Himalayan Railway)। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ট্রেনের অংশ ঐতিহ্যবাহী অনেক কিছুই বাতিল বা অকেজো হয়ে গিয়েছে। সেগুলোকে ফের চালু করার ব্যপারে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে ডিএইচআর কর্তৃপক্ষ।

Advertisement
দার্জিলিং যাওয়ার নয়া বাহানা তৈরি, ১৯৪৩ সালের পর টয়ট্রেনে ফিরল এই বন্দোবস্তদার্জিলিং যাওয়ার নয়া বাহানা তৈরি, ১৯৪৩ সালের পর টয়ট্রেনে ফিরল এই বন্দোবস্ত

Darjeeling Toy Train: ১৯৪৩ সালে শেষবার সক্রিয় ছিল। ফের ৮২ বছর পর দার্জিলিং পাহাড়ের হেরিটেজ টয়ট্রেনে (World Heritage Site) ফিরল সেই 'টার্ন টেবল'। এত বছর ফের জ্যান্ত হয়ে উঠল প্রাচীন ইতিহাস। শেষবার ব্রিটিশদের হাত ধরে এটি নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল। স্বাধীনতার এত বছর পর ফের দেশি প্রযুক্তিতে তা নস্টালজিয়া তৈরি করে ফিরল।

শতাব্দী প্রাচীন হেরিটজ টয়ট্রেনের (Toy Train) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এই টার্ন টেবিল (Toy Train Turn Table)। যা দেখার জন্য সেই সময়ও ভিড় হত। এত বছর পর্যটকরা এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। যাঁরা একাধিকবার দার্জিলিং (Darjeeling) ঘুরে ক্লান্ত। তাঁদের জন্য বিশেষ করে এই টার্ন টেবল নতুন করে পাহাড়ে আসার উৎসাহ তৈরি করবে। এই জিনিস দেখা 'ওয়ান্স ইন এ লাইফটাইম এক্সপেরিয়েন্স'  রেলের এক কর্তা জানালেন। বৃহস্পতিবার কার্শিয়াং স্টেশনে  (Kurseong) ঐতিহ্যবাহী এই টার্ন টেবিলটির উদ্বোধন করেন এনএফ রেলের কাটিহার ডিভিশনের ডিভিশনাল ম্যানেজার সুরেন্দ্র কুমার।

১৯৯৯ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের খেতাব পায় দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (Darjeeling Himalayan Railway)। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ট্রেনের অংশ ঐতিহ্যবাহী অনেক কিছুই বাতিল বা অকেজো হয়ে গিয়েছে। সেগুলোকে ফের চালু করার ব্যপারে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে ডিএইচআর কর্তৃপক্ষ। তারই অঙ্গ হিসেবে এই প্রক্রিয়াটি রিস্টোর করা হল। ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার সংবাদমাধ্যমকে জানান, ব্রিটিশরা টয়ট্রেনের জন্য অনেককিছু করেছিল, যা এখন অচল। কিন্তু হেরিটেজ পদ্ধতি চালু রাখতে ও পর্যটকদের সামনে প্রাচীন পদ্ধতিগুলি সামনে আনতে তারা কিছু পরিকল্পনা নিয়েছেন। পুরানো ট্র্যাকগুলির রক্ষণাবেক্ষণের কাজও করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

কী এই টার্নটেবল?
এই পদ্ধতিতে একটি অস্থায়ী ট্রেন লাইনের উপরে ইঞ্জিন বা কামরা তুলে সেই লাইন-সহ ইঞ্জিন বা কামরা ৩৬০ ডিগ্রি ঘোরানোর ব্যবস্থাই হল ‘টার্ন টেবল’। ব্রিটিশ আমলে বাষ্পচালিত ইঞ্জিন (Steam Engine) চালানোর ক্ষেত্রে তা ছিল অপরিহার্য। এতে ট্রেনের ইঞ্জিন দ্রুত এবং অল্প জায়গায় ঘোরাতে সুবিধা হত। পাহাড়ের উচ্চতায় ইঞ্জিনের জটিল রিভার্সিং পদ্ধতি বা লুপ লাইনে নিয়ে গিয়ে ইঞ্জিন ঘুরিয়ে ফের অন্য দিকে মুখ করার জটিলতার ঝামেলা থাকবে না। বাঁচবে সময়ও।

Advertisement

কার্শিয়াং স্টেশনে এই মডেলটি সফল হলে শিলিগুড়ি জংশনেও একই ব্যবস্থা নতুন করে চালু করতে চান ডিএইচআর কর্তৃপক্ষ। এই সুবিধে ফের চালু হওয়ায় শুধু যে টয়ট্রেনের পরিষেবা আরও উন্নত হবে তাই নয়, রক্ষা পাবে ঐতিহ্যও।

 

POST A COMMENT
Advertisement