তা হলে কি ট্রান্স ফ্যাট শরীরে জন্য ক্ষতিকর নয়? FSSAI-এর এ ক্ষেত্রে উত্তর হল, ফল বা দুধে যে প্রাকৃতিক মিষ্টি থাকে, তার সঙ্গে ফাইবার ও পুষ্টি উপাদান থাকে। কিন্তু অ্যাডেড সুগার বা বাড়তি চিনি মেশালে তা শুধুই ক্যালোরি যোগ করে। কোনও পুষ্টি উপাদান নয়।
এছাড়াও যারা শুদ্ধ নিরামিষ আহার করে থাকেন, যাদের আমরা ভেগান বলি, তাঁরা মৌমাছি থেকে পাওয়া মধু খান না। তাই আপনি যদি ১০০ শতাংশ শুদ্ধ, রাসায়নিত ফ্রি ও সস্তার বিকল্প চান, তাহলে মৌমাছি ছাড়াই রান্নাঘরে থাকা ৩ টে জিনিস দিয়েই আসল মধুর স্বাদ ও ঘন ভেগান মধু তৈরি করতে পারবেন।
সামনের বছরই আসছে ডেঙ্গি টিকা। এই টিকা নিয়ে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন। এই টিকা ঠিক কতটা কার্যকরী? কতগুলি ডোজ নিতে হবে? কোন বয়সে নেওয়া যাবে? সব তথ্য জানালেন নামী ডাক্তার।
walking or running: ওজন কমাতে চাইছেন। কিন্তু দৌড়াবেন, না কি হাঁটবেন? এই প্রশ্ন অনেকেরই। বিশেষ করে পেটের মেদ কমানোর জন্য অনেকে মনে করেন, হাঁটলে তেমন লাভ হবে না। আবার কেউ কেউ দৌড়াতে গিয়ে কয়েক দিনের মধ্যেই হাঁপিয়ে ওঠেন। ফলে ব্যায়াম বন্ধ হয়ে যায়।
বাঙালি রান্নায় তেল লাগবেই। ফোড়ন দেওয়া, লুচি-পরোটা ভাজা থেকে শুরু করে মাছ বা মাংস; প্রায় সব রান্নাতেই তেলের প্রয়োজন। কিন্তু এই তেলই বেশি খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে।
ভুয়ো ডাক্তার কাণ্ডে ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিলের সভাপতি, সম্পাদক, রেজিস্ট্রার সহ অন্যান্য আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে অভিযোগ দায়ের করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রাইভেট হসপিটাল অ্যান্ড নার্সিংহোমের (এপিএইচএন) সম্পাদক রাজীব পাণ্ডে। এই অভিযোগপত্রে, কাউন্সিলের সভাপতি সুদীপ্ত রায়, সম্পাদক সুশান্ত রায়, সদস্য তথা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল মাজি, রেজিস্ট্রার মানস চক্রবর্তী-সহ অন্য আধিকারিকদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার আর্জি জানানো হয়েছে। এই অভিযোগ জমা দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ডা: অর্চিষ্মান বন্দ্যোপাধ্যায়, ডা: রজত বাসু সহ অন্যান্যরা।
সম্প্রতি রাজ্যে একাধিক ভুয়ো ডাক্তারের খোঁজ মিলেছে। অভিযোগ, গত ১৫ বছর মেডিক্যাল কাউন্সিলের সদস্যরা ঘুষ নিয়েই অনেকে ভুয়ো ডিগ্রি সার্টিফিকেট তৈরি করেছেন। সেই ডিগ্রি নিয়ে শহর থেকে শহরতলিতে করেছেন চিকিৎসা। এমন পরিস্থিতিতে তৃণমূল সরকারের আমলের মেডিক্যাল কাউন্সিল ও মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকে দেওয়া রেজিস্ট্রেশনের তদন্ত চাইছে একাধিক চিকিৎসক সংগঠন।
ডেঙ্গি যে কীভাবে বাড়ছে রাজ্যে, তার প্রমাণ হল অগাস্ট ও সেপ্টেম্বরের ডেটা। ৬ অগাস্ট পর্যন্ত ২ হাজার ৪১০ জনের ডেঙ্গি ধরা পড়েছিল। ১১ সেপ্টেম্বর ওই সংখ্যাটা বেড়ে হয়ে গেল ৫ হাজার ২ জন। ইতিমধ্যেই পয়লা সেপ্টেম্বর ডেঙ্গি ইস্যুতে স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
সত্যিই কি অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণে ইমিউনিটি বেড়ে যায়? আর এই বিষয়টা সম্পর্কে জানতেই আমরা যোগাযোগ করেছিলাম বিশিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে। আসুন তাদের বক্তব্য জেনে নেওয়া যাক।
How to Lose Belly Fat: দুর্গাপুজো আসতে আর বেশি দেরি নেই। অনেকের নতুন জামা কেনা হয়ে গিয়েছে। পুজোর ঘোরাঘুরির পরিকল্পনাও চলছে। কিন্তু আয়নায় নিজেকে দেখলেই যদি চোখ যায় পেটের মেদের দিকে, তা হলে মন খারাপ হওয়ারই কথা। ভুঁড়ি কমাতে অনেকেই শেষ মুহূর্তে কঠিন ডায়েট শুরু করেন।
Bhindi Bhujia Recipe: আপনি যদি ঢেঁড়স বা ভেন্ডি ভালোবাসেন এবং প্রতিবার একই পদ্ধতিতে রান্না করতে করতে বিরক্ত হয়ে যান, তবে এই মুচমুচে ভেন্ডি ভুজিয়াটি ট্রাই করে দেখুন। এটি তৈরি করা অত্যন্ত সহজ এবং খেতেও দুর্দান্ত।
এই সাবান মুখের ময়লা, অতিরিক্ত তেল ও ব্যাকটেরিয়াকে ধুয়ে মুছে সাফ করে দেয়। এতে ব্রণ হওয়ার ঝুঁকি কমে। এর সঙ্গে ত্বক পরিষ্কার, নরম ও ভাল থাকে। বাড়িতেই নিমের সাবান সহজেই তৈরি করতে পারেন।
সারাদিন এনার্জি থাকবে, পকেটেও চাপ পড়বে না! প্রোটিন-ভিটামিনে ভরপুর ৫ সস্তার খাবার। আজ থেকেই রোজ খান।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডেঙ্গি নিজের মতো করেই সেরে যায়। তবে বেশ কিছু সময় রোগটি বিপদের দিকে মোড় নেয়। আর সেই বিষয়টা অনেকেই ধরতে পারেন না। সেক্ষেত্রে ডেঙ্গির কিছু বিপজ্জনক লক্ষণ জেনে নেওয়া জরুরি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেছেন, 'দয়াকরে মেয়েদের স্কার্ট পরিয়ে স্কুলে পাঠাবেন না। পা ঢাকা সালোয়ার পরতে দিন। হাঁটু পর্যন্ত মোজা পরিয়ে হবে না। হাঁটু পর্যন্ত মোজা পায়ের সঙ্গে লেগে থাকবে। মোজাটা ভীষণ পাতলা হয়। একটু সালোয়ার পরতে দিন মেয়েদের। ছেলেদের ফুলপ্যান্ট এবং ফুলশার্ট দরকার। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর, এই তিনটে মাস দরকার।'
খাদ্যে ভেজাল ভারতের অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। ভেজাল খাবারের জন্য় দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সার, কিডনির রোগ, লিভারের অসুখ ও স্নায়ুর অসুখ হতে পারে। এমনকী শিশুদের বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে ভেজাল।
দেশজুড়ে অনেক রাজ্যে সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই ফ্লুতে বেশিরভাগ মানুষের জ্বর হয়, কিন্তু জ্বর ছাড়াও কি এটি হতে পারে? চিকিৎসকরা এই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছেন।
'চিকিৎসকদের ডেঙ্গি লিখতে গেলে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। ডেঙ্গি হলে ডেঙ্গিই লিখবেন। না হলে না-ই লিখবেন।' চিকিৎসকদের পরিষ্কার নির্দেশ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। প্রসঙ্গত তৃণমূল আমলে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া আক্রান্তের প্রকৃত পরিসংখ্যান গোপন করার। তবে সরকার বদলাতে বদলাচ্ছে সেই ছবিটা। এদিন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানান, 'আমাদের পরিষ্কার নির্দেশ আছে যা রোগ হবে সেটাই লিখতে হবে। আগের সরকার সংখ্যা কমাত, রোগ লুকতো। লুকানোর কি আছে ? যদি ডেঙ্গি থাকে নিশ্চয়ই তার ব্যবস্থা হবে। চিকিৎসকদের ডেঙ্গি লিখতে গেলে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।'
ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। নিয়মিত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুও হচ্ছে ডেঙ্গিতে। এখন প্রশ্ন হল, প্লেটলেট কাউন্ট ঠিক কতটা নামলে সতর্ক হতে হবে? ভর্তি করাতে হবে হাসপাতালে? আর সেই উত্তরটাই দিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক।