ওটস-ডালিয়া নয়, পাতে রাখুন বাংলার শ্যামা চাল! কী কী উপকার জানেন? এক নজরে জেনে নিন।
কখনও গরম, কখনও হালকা ঠান্ডা। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়েই অনেকের সর্দি-কাশি, গলাব্যথা কিংবা নাক দিয়ে জল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়।
হুট করে বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া। এই পরিস্থিতিতে বয়স্কদের রোগের থেকে সাবধান হতে হবে। সেক্ষেত্রে কী কী ব্যবস্থা নেবেন? জেনে নিন দ্রুত।
শুধু পিজিতেই আটকে নেই অরুণ সিংয়ের কাজ। তিনি গ্রাম বাংলাতেও শিশুমৃত্যুর হার কমানোর জন্য কাজ করে গিয়েছেন। এই যেমন পুরুলিয়ায় তিনি অসুস্থ নবজাতকদের জন্য একটি বিশেষ ইউনিট তৈরি করেন। এটি গড়ে ওঠে ২০০৩ সালে। সেই ইউনিট গোটা বিশ্বেই পুরুলিয়া মডেল হিসেবে বিখ্যাত। এমনকী আজও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই মডেল মেনে চিকিৎসা করা হয়।
বাজি ফাটানোর সময়ে সব সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। বাজির খুব কাছে মুখ নিয়ে যাবেন না। আগুন দেওয়ার সময়ে হাতের দিকেও নজর রাখুন। সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন।
ধনতেরসে মালব্য রাজযোগ অ্যাক্টিভ রয়েছে। তাতে ৪ রাশির বিরাট উন্নতি হবে। চাকরিতে উন্নতি এবার পাকা। সেই সঙ্গে ব্যবসায় সাফল্য মিলবে। তাই চিন্তার কিছু নেই বললেই চলে।
অত্যন্ত জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছিল মেয়েটি। বিরল এই জিনগত রোগে প্রতি ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে আনুমানিক একজন আক্রান্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে জন্ডিস, পেট ফুলে যাওয়া, অসহ্য চুলকানি, বমি, খিদে কমে যাওয়া এবং শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার মতো সমস্যায় ভুগছিল মেয়েটি। প্রায় দেড় বছর ধরে মেয়ের অসুস্থতা নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন বাবা-মা। বারবার হাসপাতালে আসা-যাওয়া লেগেছিল।
কালীপুজোয় বাজি ফাটাবেন তো? কিন্তু সেই সময় চোখে বাজির কণা ঢুকে গেলে কী করবেন? চিকিৎসকের কাছে যাবেন নাকি বাড়িতে আগে কিছু একটা করতে হবে? সবটাই জানালেন কনসালট্যান্ট অফথ্যালমোলজিস্ট ডা: গুঞ্জা চৌধুরী।
কয়েক দিন আগেই এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের ইন্টার্নরা টাকার বিনিময়ে ডিউটি বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এরপরই নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্যভবন। সেই ট্রেন্ড ধরেই এবার জুনিয়র চিকিৎসকদের ফেস বায়োমেট্রিক চালু করছে স্বাস্থ্যভবন।
ছুটির দিন। অঢেল সময়। ঘুম, আড্ডা, পছন্দের কাজ; সবই করার সুযোগ রয়েছে। অথচ রবিবার বিকেল গড়াতেই মন খারাপ হতে শুরু করে অনেকের।
ভোর চারটেয় ঘুম থেকে ওঠেন। ঘোড়ার সঙ্গে দৌড়ান। সকালে খান ঘি। তারপর গরম জল খান। হেলথ ওয়েলথে বললেন বাবা রামদেব।