Cough Cold: শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে চিন্তা থাকে বেশি। কখনও গরম, কখনও হালকা ঠান্ডা। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়েই অনেকের সর্দি-কাশি, গলাব্যথা কিংবা নাক দিয়ে জল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে চিন্তা থাকে বেশি। তবে সামান্য কিছু নিয়ম মেনে চললে ভাইরাসের সংক্রমণের আশঙ্কা কমানো সম্ভব। শুধু ঠান্ডা লাগলেই সর্দি হয়, এমন ধারণা অবশ্য ঠিক নয়। সাধারণ সর্দি মূলত ভাইরাসের কারণে হয়। তাই দৈনন্দিন পরিচ্ছন্নতা এবং শরীরের যত্নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কোন পাঁচটি অভ্যাস গড়ে তুলবেন?
১. বাইরে থেকে ফিরেই হাত ধুয়ে নিন
আমাদের হাতের মাধ্যমে জীবাণু সহজেই নাক, মুখ ও চোখে পৌঁছতে পারে। তাই বাইরে থেকে বাড়ি ফিরে সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড হাত ধুয়ে নিন। খাওয়ার আগে এবং শৌচাগার ব্যবহারের পরেও এই নিয়ম মানুন। হাত অপরিষ্কার থাকলে চোখ, নাক বা মুখে হাত দেওয়া এড়িয়ে চলুন।
২. ঘরের জানলা খুলে রাখুন
বন্ধ ঘরে দীর্ঘ সময় থাকলে বাতাস চলাচল কমে যায়। সংক্রমিত ব্যক্তির কাছাকাছি থাকলে বাতাসের মাধ্যমে ছড়ানো ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই বাড়ি ও কর্মস্থলে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন। ভিড়ের জায়গায় প্রয়োজন হলে মাস্ক ব্যবহার করুন।
৩. পর্যাপ্ত জল ও পুষ্টিকর খাবার খান
শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত জল খাওয়া জরুরি। খাবারের তালিকায় রাখুন মরসুমি ফল, শাকসব্জি, ডাল, ডিম ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল খেতে পারেন। তবে কোনও একটি খাবার খেলেই সর্দি-কাশি আটকানো যায়, এমন প্রমাণ নেই। অকারণে ভিটামিনের সাপ্লিমেন্টও খাবেন না।
৪. ঘুম
প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের স্বাভাবিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত সাত থেকে ন’ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। অতিরিক্ত ক্লান্তি এড়িয়ে চলুন।
৫. কাশি-হাঁচির সময় সতর্ক থাকুন
কাশি বা হাঁচির সময় মুখ ও নাক টিস্যু কিংবা কনুই দিয়ে ঢাকুন। ব্যবহৃত টিস্যু সঙ্গে সঙ্গে ফেলে দিন। অসুস্থ হলে অন্যদের থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখুন। বয়স ও শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী ফ্লু টিকার বিষয়েও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।