হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির সঙ্গে জোট করার কথা ঘোষণা করলেন আসাউদ্দিন ওয়েসি। তাঁর দাবি, সংখ্যালঘুদের হিতের কথা বললেও মুসলিমদের কোনও লাভ হয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে।
Bengal election 2026 swing seats: সামনেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬। বিশ্লেষকরা বলছেন, এবার লড়াই শুধু বড় আসনে নয়। আসল খেলা লুকিয়ে রয়েছে অতি অল্প ব্যবধানের নির্দিষ্ট কয়েকটি আসনে।
প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করবে তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভা ভোটে লড়াই করবে না। মোদী-শাহকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, বিজেপি শাসিত ১৫টি রাজ্যের মধ্যে একটায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করে দেখান।
'দিল্লির বিজেপির অফিস থেকে ফোন করছে। নির্বাচন কমিশনে দেওয়া তালিকা চলে গিয়েছে দিল্লিতে। ওরা বলছে, আমাদের হয়ে কাজ করলে টাকা দেব। ফোনটা ধরবেন। টাকাটা নেবেন। দর কষাকষি করে ৫ হাজার বলে ২০ হাজার টাকা চাইবেন'। বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
'নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়েছে। এই নির্বাচনের কী মূল্য? আমার মাথায় ঢুকছে। এটা হাস্যস্পদ হয়ে উঠেছে'। মন্তব্য করলেন অধীর চৌধুরী।
'রাম না বাবরের সঙ্গে? এটা ঠিক করতে হবে বাংলার মানুষকে। তৃণমূলের প্ল্যান বি হুমায়ুন কবীর'। বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়,'হিম্মত থাকলে বাবরি মসজিদ বানিয়ে দেখান'।
'মমতার এত ভয় কেন? নিজের বাড়ি, নিজের জায়গা। আসলে হারের আতঙ্ক থেকে এই ধরনের কথা বলছেন'। ভবানীপুরে নন্দীগ্রামের বিডিও-কে আনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আরএফএ - শমিক ভট্টাচার্য, বিজেপি রাজ্য সভাপতি: হুমায়ুন, ওয়াইসি বা মমতা ব্যানার্জী যেই আসুন না কেন, আমরা কোনো অবস্থাতেই বাবরি মসজিদ নির্মাণ হতে দেব না। যদি বাবরি মসজিদ নির্মিত হয়, তাহলে সমগ্র ভারত এর উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। আমরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে নই, কিন্তু আমরা
শুভেন্দু বলেন 'মমতা ব্যানার্জির এত ভয় কেন। নিজের বাড়ি নিজের জায়গা। যেখানে তিনি ৪০ বছর ধরে রাজনীতি করছেন বলে গলা বাজিয়ে বলেন। হারের আতঙ্ক থেকে এধরণের কথা বলছেন। ভবানীপুর বিজেপির জায়গা। তথাগত রায় সেখানে লিড দিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেনে রাখা উচিত, কাচের ঘরে বসে ঢিল ছোড়া উচিত নয়। মমতা আর চুরি করতে পারবেন না।'
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বলেন, '৪০ হাজারের বেশি ভোটে জিততে হবে।' উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী জিতেছিলেন প্রায় ২২ হাজার ভোটে। সেই জায়গা থেকে এবার কার্যত দ্বিগুণ ব্যবধানের লক্ষ্য নির্ধারণ করলেন তিনি।
'আমি না থাকলেও দল চলবে।' এমনটাই মনে করেন বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের TMC প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, 'আমি না থাকলেও দল চলবে কিন্তু মমতা না থাকলে এই মুহুর্তে দল চলবে না।'