রাহুল গান্ধী মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সহ অন্য কমিশনারদের বিরুদ্ধে রেট্রোস্পেকটিভ আইন আনার দাবি করার কথা তুলে ধরেন। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি রাহুল গান্ধীকে সমর্থন করবেন? সাংবাদিকদের প্রশ্নে মমতা জবাব দেন, “কোনও কিছু যদি জেনুইন, প্র্যাকটিকাল হয় এবং জনতার ভালোর জন্য হয়, আমরাও চাইব ইমপিচমেন্ট হোক। আমাদের নম্বর নেই। কিন্তু ইমপিচমেন্ট হতেই পারে। ধারা রয়েছে। রেকর্ড তো হয়ে যাবে। উনি যদি এমন করেন, তবে আমরা আমাদের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের স্বার্থে এককাট্টা হয়ে কাজ করব। এতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।”
নির্বাচন কমিশনকে বিশ্বাস করবেন না, বঙ্গভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে বললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলনেত্রী লেন, 'গতকাল যা হয়েছে, তার পর এই নির্বাচন কমিশনের উপর আমাদের আর কোনও আশা নেই।' একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা করেন, বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস একাই লড়াই করবে।
আমরা জমি ছাড়ব না। জাস্টিস পাবোই। বাংলায় বিজেপি আসবে না। বঙ্গভবনে সাংবাদিক সম্মেলেন বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। SIR-এর পর বাংলায় যে বিধানসভা ভোট হতে চলেছে, তাতে তৃণমূলের রণনীতি কী হবে। তার জবাবে মমতা বলেন, 'আমাদের অনেক সাংসদ, বিধায়ক, ব্লক প্রেসিডেন্ট, বুথ প্রেসিডেন্ট রয়েছে। আমি নিজে একা কোনও সিদ্ধান্ত নেব না তো। আমাদের গণতান্ত্রিক দল। আমরা এক ইঞ্চি জমিও ছাড়ব।'
২০২৬ সালে কত আসন পেতে চলেছে TMC? দিল্লিতে সাংবাদিকের এই প্রশ্নের উত্তরে TMC সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৌশলী জবাব, 'আমি রাজনৈতিক জ্যোতিষ নই। তবে আরও বেশি আসন পাব।' রবিবার পশ্চিমবঙ্গে SIR প্রক্রিয়ার বিরোধীতা করতে দিল্লিতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তিনি রাজ্যের SIR প্রক্রিয়ায় নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে বৈঠক করেন। তারপরেই আজ সেই সকল ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই তৃণমূলের আসন সংখ্যা সম্পর্কে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়। তখনই তিনি রাজনৈতিক জ্যোতিষ নই বলে জবাব দেন।
এদিন বঙ্গভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন নির্বাচন কমিশন প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে মানুষের নাম বাদ দিচ্ছে। সেইসঙ্গে কেন্দ্রকেও নিশানা করেন মমতা। বাংলার নিরাপত্তা ও সীমান্ত সমস্যা প্রসঙ্গে বলেন, গত ১০ বছর ধরে কোনও ডেটা শেয়ার করে না। প্রধানমন্ত্রীকে এই নিয়ে চিঠিও দিয়েছি। বাংলা বললেই বাংলাদেশি তকমা দেওয়া হচ্ছে। ক’জন রোহিঙ্গা পাওয়া গিয়েছে? একজনও না। ৫৮ লক্ষের নামও যদি বাদ যায়, আমরা এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না।
মোদ্দা বিষয়, বাংলার ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইন্টেনশিভ রিভিশনকে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের অন্যতম ন্যারেটিভ করে দিলেন তৃণমূল নেত্রী। আজ অর্থাত্ মঙ্গলবার দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বোঝানোর চেষ্টা করলেন, সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়ায়।
বিজেপি যখন পশ্চিমবঙ্গ হিন্দু ভোটারদের একত্রিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলায় মুসলিম ভোটারদের প্রসঙ্গ তুললেন মমতা। বললেন, 'আমাদের মানতে হবে, বাংলায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘুদের বাস। এটা এখন নয়, সেই স্বাধীনতার সময় থেকেই। এটাই ইতিহাস, ৩৩ শতাংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। আপনারা বলুন, ৩৩ শতাংশ মানুষের নাম বাদ দেওয়া উচিত? আমরা সব ধর্মের জন্য কাজ করি বাংলায়। সব ধর্মের উত্সব পালন করি। ৩৩ শতাংশ মুসলিম, তাদের আমি বলব, রাজ্য থেকে চলে যাও? আপনারা বলুন। কোনও একটি নির্দিষ্ট ধর্মের লোকই থাকবে? আমরা বাংলায় একটি পরিবারের মতো থাকি। সব ধর্ম, সব জাতির মানুষ মিলেমিশে থাকি।'
নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে ৪০ হাজার নাম বাদ দেওয়ায় দিল্লিতে গিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চাণক্যপুরীতে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন কমিশন, বিজেপি ও সীমা খান্নার নাম করে একযোগে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার কথায়, বেছে বেছে তৃণমূল কংগ্রেসের জেতা আসনগুলি থেকেই সবথেকে বেশি ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে ৬ বার চিঠি লিখেও কোনও উত্তর না আসায় ফের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কোথাপকথেনর সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ফলাফল কী হবে? মমতার স্পষ্ট জবাব, ‘আমি রাজনৈতিক জ্যোতিষী নই। তবে আমার মনে হয় আরও বেশি আসনে জিতব।’ এদিন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে জোট নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রবিবার পশ্চিমবঙ্গে SIR প্রক্রিয়ার বিরোধীতা করতে দিল্লিতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তিনি রাজ্যের SIR প্রক্রিয়ায় নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। আর সেখানে তাঁদেরকে অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগও করেন তিনি। আর আজ সেই সকল ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই তৃণমূলের আসন সংখ্যা সম্পর্কে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়।
ফের একবার মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের মুখে সীমা খান্নার নাম। গত কয়েকমাস ধরেই এই নাম তোলপাড় ফেলেছে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে। গত বছর ডিসেম্বরে এই নাম শোনা গিয়েছিল অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের মুখে।