পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাটে বাজি বিস্ফোরণ কাণ্ডে গ্রেফতার কারখানার মালিক চন্দ্রকান্ত বণিক। তবে এখনও অধরা ভাই তুষার বণিক। চন্দ্রকান্তের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। সোমবার রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাট থানা এলাকার দক্ষিণ রায়পুরের ৩ নম্বর ঘেরিতে বসত বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে।
ঘটনায় মৃত্যু হয় বাড়ির চার শিশু-সহ আটজনের। ঘরে বাজি কারখানা ছিল। প্রচুর বাজির মশলা মজুত রাখা হয়েছিল। এমনকি সেই বাড়িতে সিলিন্ডারে রান্নাও হত।
বণিক পরিবারে মোট সদস্য ১১ জন। চন্দ্রকান্ত বণিক এবং তুষার বণিক দুই ভাই। সোমবার এই দুর্ঘটনায় তাঁদের বাবা অরবিন্দ বণিক (৬৫), ঠাকুমা প্রভাবতী বণিক (৮০) , চন্দ্রকান্তের স্ত্রী সান্ত্বনা বণিক (২৮), দুই সন্তান অর্ণব বণিক (৯) ও অস্মিতা বণিক (৮ মাস) এবং তুষারের দুই সন্তান অনুষ্কা বণিক (৬) এবং অঙ্কিত বণিক (৬ মাস), সুতপা বণিকের মৃত্যু হয়।
বিস্ফোরণের অভিঘাত ছিল এতটাই, যে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূর থেকে শোনা যায় সেই শব্দ। উড়ে যায় বাড়ির ছাদ। এত জোরে বিস্ফোরণ হয় যে, বাড়ির আসবাবপত্র ছিটকে গিয়ে পড়ে পাশের মাঠে। জানলার গ্রিল-সহ দেওয়াল উড়ে যায় পাশের এলাকায়। ৩ শিশুর দেহ বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। এরপর থেকেই শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। বাজি কারখানার মালিক দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা-সহ ৭টি ধারায় মামলা করে পুলিশ। চন্দ্রকান্ত বণিকের বাড়িতে বেআইনিভাবে বাজি তৈরি হত বলে পুলিশ সূত্রে খবর।