ডিলিটেড তালিকায় নাম থাকলে কী করবেন?সোমবার প্রায় মধ্যরাতে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রায় ২৯ লক্ষ ভোটারের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে খবর। তবে এর মধ্যে অনেকেরই নাম ডিলিটেড তালিকায় রয়েছে। সেক্ষেত্রে কি তাঁরা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না? কমিশনের নিয়মটা জেনে নিন।
নির্বাচন কমিশন ডিলিটেড তালিকায় স্পষ্ট উল্লেখ করেছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যদি অসন্তুষ্ট হন, সেক্ষেত্রে তিনি ফের আবেদন করার সুযোগ পাবেন। কীভাবে আবেদন করতে পারবেন ভোটাররা?
নাম 'ডিলিটেড' ক্যাটেগরিতে থাকলে কী করবেন?
জীবিত ব্যক্তিদের SIR চূড়ান্ত তালিকায় নাম ডিলিট হয়ে গেলে চিন্তার কোনও কারণ নেই। DEO, CEO-র কাছে আবেদন করতে হবে।
> তালিকা প্রকাশ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে জেলাশাসক তথা ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার (DEO)-র কাছে আবেদন জানাতে হবে।
> DEO যদি তাঁদের নাম তালিকায় না তোলার সিদ্ধান্ত জানান, তাহলে সেই সিদ্ধান্তকেও চ্যালেঞ্জ করা যাবে। সেক্ষেত্রে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে চিফ ইলেকটোরাল অফিসারের কাছে আবেদন করা যাবে।
কোথায় জানাবেন আবেদন?
নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে, voters.eci.gov.in-এর মাধ্যমে অথবা BLO-দের মাধ্যমে এই আবেদন জানাতে পারেন। DEO-র মাধ্যমেও আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতি
DEO (District Election Officer)-কে লেখা আবেদনপত্রের বিষয়ের জায়গায় থাকবে, 'Application For Reconsideration Of Deletion Of Name From Electoral Roll.' এছাড়াও আবেদনপত্রে ফিলআপ করতে লিখতে হবে নাম, বাবার নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম, পার্ট নম্বর (১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত খসড়া তালিকায় অনুযায়ী), এপিক নম্বর। কোন বিধানসভা কেন্দ্রের স্থায়ী বাসিন্দা তা-ও জানাতে হবে আবেদনপত্রে। আবেদনপত্রের সঙ্গে দিতে হবে ফিলআপ করা এনুমারেশন ফর্মের ফটোকপি। অবশ্যই আবেদনপত্রটি স্বাক্ষর করে ফোন নম্বর দিতে হবে।
অনলাইনে কীভাবে আবেদন?
কমিশন জানিয়েছে, অনলাইনে আবেদন করতে চাইলে ECI Net প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে https://ecinet.eci.gov.in-এ গিয়ে আপিল করুন। তাহলেই কাজ হবে। আপনার আবেদন শুনবে ট্রাইবুনাল।
আবেদন খারিজ হলে কী করবেন?
যদি CEO আবেদন খারিজ করে দেয় তাহলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন জানানো যাবে। নতুন করে ভোটার হিসেবে নাম তোলার জন্য আবেদন করতে হবে। এর জন্য ECINET অ্যাপ বা পোর্টাল থেকে ফর্ম নেওয়া যাবে।