SIR নথিSIR-এর শুনানি প্রক্রিয়া শেষ। এবার শুরু হয়েছে স্ক্রুটিনি। এমন পরিস্থিতিতে SIR-এর গ্রহণযোগ্য নথি নিয়ে নতুন নিয়ম আনল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তাঁদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে যে 'বাংলার বাড়ি', 'ইন্দিরা আবাস যোজনা', 'প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা'র নথি SIR-এ গ্রহণযোগ্য নয়।
আর কমিশনের এই ঘোষণার পরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে যাঁরা এই সব নথি ইতিমধ্যেই SIR-এ জমা করে দিয়েছেন, তাঁদের ঠিক কী হবে? তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে তো? যদিও এই বিষয়ে কোনও সদুত্তর এখনও মেলেনি।
মাথায় রাখতে হবে যে, SIR-এর শুরুর সময়ই কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট ১৩টি নথির কথা বলা হয়েছিল। সেই তালিকায় এই সব প্রকল্পের নাম ছিল না বলেই অভিযোগ। কিন্তু এই সব প্রকল্পের কাগজপত্র ভোটাররা জমা দিয়েছেন। সেগুলি নিয়েও নিয়েছেন অনেক ইআরও এবং এইআরও। আর এতদিনে এই সব প্রকল্পের কাগজ SIR-এর নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে না বলে ঘোষণা করেছে কমিশন। আর তারপরই উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।
আক্রমণে তৃণমূল
যদিও তৃণমূলের তরফে কমিশনের এই নির্দেশের বিরোধীতা করা হয়েছে। তাদের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র বাংলার জন্য আলাদা আলাদা নিয়ম তৈরি করছে কমিশন। তাই তারা বাংলার বাড়ির মতো প্রকল্পের ডকুমেন্ট গ্রহণ করছে না। ভোটারদের হয়রানি করার চেষ্টা করছে। বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এমন পরিস্থিতিতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিষয়টা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও আপত্তি তোলা হবে বলেই প্রাথমিকভাবে খবর।
যদিও এর পাল্টা ভাষ্য দিচ্ছে বিজেপি। তাদের পক্ষ থেকে নেতারা দাবি করছেন, কমিশন প্রথম থেকেই ১৩টি নথির কথা জানিয়ে দিয়েছিল। সেই তালিকায় বাংলার বাড়ি, ইন্দিরা আবাস যোজনা, প্রধানমন্ত্রী গ্রামীন আবাস যোজনার নথি নেই। তাই এই সব নথির কোনও গুরুত্বই নেই।
ফাইনাল ভোটার লিস্ট কবে?
প্রথমে কথা ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারিতে বেরবে ফাইনাল ভোটার লিস্ট। যদিও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের জন্য এবং শুনানির কাজ শেষ না হওয়ার জন্য সেই তারিখটা পিছিয়ে দেওয়া হয়। কমিশন ঘোষণা করে যে ২৮ ফেব্রুয়ারি বেরবে ফাইনাল লিস্ট।
আর মনে করা হচ্ছে যে সেই দিন কয়েক লক্ষ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতি।