আমেরিকার যুদ্ধ জাহাজ টার্গেট করল ইরানের ড্রোন, কী পরিস্থিতি?

আরব সাগরে তবে কি যুদ্ধ আর সময়ের অপেক্ষা? কারণ মঙ্গলবার ইরানের একটি ড্রোনকে গুলি করে নামাল মার্কিন সেনা। আমেরিকান সেনার তরফে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ড্রোনটি তাঁদের একটি বিমানবাহী রণতরীর দিকে ধেয়ে আসছিল। ফলে সেটিকে গুলি করে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
আমেরিকার যুদ্ধ জাহাজ টার্গেট করল ইরানের ড্রোন, কী পরিস্থিতি?আমেরিকান যুদ্ধ জাহাজের দিকে উড়ে এল ইরানি ড্রোন
হাইলাইটস
  • আরব সাগরে তবে কি যুদ্ধ আর সময়ের অপেক্ষা?
  • মঙ্গলবার ইরানের একটি ড্রোনকে গুলি করে নামাল মার্কিন সেনা।
  • ড্রোনটি আমেরিকার একটি বিমানবাহী রণতরীর দিকে ধেয়ে আসছিল।

আরব সাগরে তবে কি যুদ্ধ আর সময়ের অপেক্ষা? কারণ মঙ্গলবার ইরানের একটি ড্রোনকে গুলি করে নামাল মার্কিন সেনা। আমেরিকান সেনার তরফে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ড্রোনটি তাঁদের একটি বিমানবাহী রণতরীর দিকে ধেয়ে আসছিল। ফলে সেটিকে গুলি করে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়বে কিনা, তা সময় বলবে।

মার্কিন সংবাদ সংস্থা ‘নিউজ় নেশন’ সূত্রে খবর, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আমেরিকার ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন ছিল। ওয়াশিংটনের নির্দেশে সেটিকে সেন্ট্রাল কম্যান্ডের আওতায় নিয়ে আসা হয়। এই সেন্ট্রাল কম্যান্ড মূলত পশ্চিম এশিয়ায় কাজ করে। ইরানের বিক্ষোভের মাঝে গত ১৯ জানুয়ারি এই ক্যারিয়ার পশ্চিম এশিয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। গত সপ্তাহে মালাক্কা প্রণালী পেরিয়ে তা প্রবেশ করে ইরানের উপকূলে। 

কিন্তু মঙ্গলবার আচমকা  ইরানের একটি শাহিদ-১৩৯ ড্রোন এই রণতরীর দিকে ধেয়ে যাওয়াতেই সতর্ক হয় মার্কিন সেনা।  F-35 যুদ্ধবিমান থেকে সেটিকে গুলি করে নামিয়ে দেওয়া হয়। আমেরিকার তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই ঘটনায় কোনও মার্কিন সৈনিক জখম হননি বা আমেরিকার কোনও যুদ্ধ সরঞ্জাম এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

ইরান সরকারের তরফে এই ঘটনায় কোনও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। তবে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা, তাসনিমের তরফে সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করা হয়েছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি ড্রোনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এই ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল যখন আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা কমছে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনার প্রস্তুতি চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে ইরানের উপর চাপ বাড়িয়েছেন, অন্যদিকে তেহরানও আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছে। কিন্তু তারই মধ্যে এই ঘটনার ফলে নতুন করে উত্তজেনা ছড়ায় কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement