KP Oli Arrest: নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি গ্রেফতার, বালেন শাহ দায়িত্ব নিতেই বড় অ্যাকশন

নেপালের গদিতে এখন বালেন শাহ। তিনি সদ্য প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন। আর শপথ নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিল তাঁর সরকার। শনিবার ভোরে গ্রেফতার করা হল দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে। তাঁদের বিরুদ্ধে Gen Z আন্দোলনে দমনপীড়ন ও হিংসার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণেই গ্রেফতার বলে জানান হয়েছে।

Advertisement
নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি গ্রেফতার, বালেন শাহ দায়িত্ব নিতেই বড় অ্যাকশনকেপি ওলি গ্রেফতার
হাইলাইটস
  • নেপালের গদিতে এখন বালেন শাহ
  • তিনি সদ্য প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন
  • শনিবার ভোরে গ্রেফতার করা হল দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি

নেপালের গদিতে এখন বালেন শাহ। তিনি সদ্য প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন। আর শপথ নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিল তাঁর সরকার। শনিবার ভোরে গ্রেফতার করা হল দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে। তাঁদের বিরুদ্ধে Gen Z আন্দোলনে দমনপীড়ন ও হিংসার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণেই গ্রেফতার বলে জানান হয়েছে।

যতদূর খবর, শনিবার ভোরে নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে নেপালে যেই Gen Z বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছিল, সেই আন্দোলন দমনে হিংসাত্মক পদক্ষেপ নেওয়ার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মাথায় রাখতে হবে, মাত্র একদিন আগেই নেপালের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন বালেন শাহ। আর তার পরদিনই এহেন বড় পদক্ষেপ নিল নেপাল প্রশাসন।

এই একই মামলায় নেপালি কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ভক্তপুরে তাঁদের দুইজনকে নিজের নিজের বাড়ি থেকে আটক করা হয়। এই মামলায় যেই ধারা প্রযোজ্য হয়েছে, তাতে ১০ বছর কারাদণ্ড হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে Gen Z আন্দোলন
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নেপাল জুড়ে যুব সম্প্রদায়ের নেতৃত্বে তীব্র আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলন পরে Gen Z আন্দোলন নামে পরিচিতি পায়। এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয় ডিজিটাল স্বাধীনতার দাবিতে। তারপর ধীরে ধীরে তা বিরাট আকার নেয়। শাসনব্যর্থতা, দুর্নীতি, বেকারত্ব এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য সরকার বিরোধীতা চরমে ওঠে। 

এই সময় চুপ করে বসে থাকেনি সরকার। তাদের পক্ষ থেকে ব্যাপক দমন অভিযান চালান হয় বলে অভিযোগ। আর তাতে অন্তত ৭৭ জন নিহত এবং ২,০০০-এর বেশি মানুষ আহত হন বলে দাবি। এই অভিযোগ ওঠে চারবারের প্রধানমন্ত্রী এবং নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (ইউএমএল) এর নেতা ওলির বিরুদ্ধে।

সেই মতো উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশন রিপোর্ট দেয়। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় গ্রেফতারির। তারপরই ওলিকে গ্রেফতার করা হল বলে জানা যাচ্ছে।

Advertisement

সেনা এবং পুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে
এই কমিশনের রিপোর্টে শুধু প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নয়, পাশাপাশি নেপালের পুলিশ এবং সেনার দিকেও আঙুল তোলা হয়েছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সরকার নতুন একটা কমিটি গঠন করে এই বিষয়ে তদন্ত করতে চাইছে বলে খবর।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement