Advertisement
বিশ্ব

Mayanmar Earthquake: মায়ানমারে হাহাকার, ধ্বংস ও মৃত্যুর ভয়াবহ সব ছবি, দেখুন

  • 1/10

মায়ানমারে ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত ২,০০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে আটকে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শুক্রবারের এই ভূমিকম্পে দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। সবচেয়ে বেশি ধাক্কা লেগেছে মান্দালয় শহরে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের খুব কাছেই অবস্থিত।
 

  • 2/10

মায়ানমারের এই বিপর্যয়ের মধ্যে আশার আলো দেখিয়েছে একটি ঘটনা। মান্দালয়ের ‘গ্রেট ওয়াল’ হোটেলের ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে এক মহিলাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ৬০ ঘণ্টা ধরে চাপা পড়ে থাকার পরও তিনি প্রাণে বেঁচে আছেন বলে জানিয়েছে চিনা দূতাবাস। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

  • 3/10

ভূমিকম্পের কম্পন মায়ানমারের পাশাপাশি প্রতিবেশী থাইল্যান্ডেও অনুভূত হয়েছে। ব্যাংককে একটি নির্মাণাধীন বহুতল ভবন ভেঙে পড়েছে, যেখানে ৭৬ জন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েছেন বলে জানা গেছে। 
 

Advertisement
  • 4/10

ভূমিকম্পের কম্পন মায়ানমারের পাশাপাশি প্রতিবেশী থাইল্যান্ডেও অনুভূত হয়েছে। ব্যাংককে একটি নির্মাণাধীন বহুতল ভবন ভেঙে পড়েছে, যেখানে ৭৬ জন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েছেন বলে জানা গেছে। 
 

  • 5/10

থাইল্যান্ড সরকার জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ১৮ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারের জন্য জোর কদমে কাজ চলছে।
 

  • 6/10

মায়ানমারের এই বিপর্যয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘ দ্রুত ত্রাণ পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২৩,০০০ মানুষ এখন আশ্রয়হীন। তাঁদের জন্য জরুরি খাদ্য, ওষুধ ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
 

  • 7/10

ভারত, চিন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং রাশিয়া ইতিমধ্যেই ত্রাণ ও উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ২ মিলিয়ন ডলারের সাহায্য ঘোষণা করেছে। তবে সেই সাহায্য এখনও আমেরিকার তরফে পৌঁছয়নি।
 

Advertisement
  • 8/10

ভূমিকম্পের ধাক্কার মধ্যেই মায়ানমার আরও বড় এক সঙ্কটের মুখোমুখি। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশে গৃহযুদ্ধ চলছে। ভূমিকম্পের পরও সেনাবাহিনী বিভিন্ন অঞ্চলে বিমান হামলা চালাচ্ছে বলে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির অভিযোগ। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
 

  • 9/10

সিঙ্গাপুরের বিদেশমন্ত্রী মায়ানমারে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ দ্রুত করা যায়। তবে পরিস্থিতি এখনও খুবই উদ্বেগজনক।
 

  • 10/10

রাষ্ট্রসঙ্ঘ জানিয়েছে, এখনই বিশ্ববাসীকে একজোট হয়ে মায়ানমারের পাশে দাঁড়াতে হবে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের শরণার্থী সংস্থার প্রতিনিধি নোরিকো তাকাগি বলেছেন, "আমাদের দল নিজেরাই মানসিক ধাক্কার মধ্যে থেকেও উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে নেমেছে। সময় নষ্ট করা যাবে না, এখনই সহায়তা প্রয়োজন।"
 

Advertisement