পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কারখানাটির লাইসেন্স ও নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, 'কীভাবে আগুন লাগল সেটা যারা বলতে পারত, তারা কেউ বেঁচে নেই। পুলিশ বাজি প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করে সচেতনতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে, যাতে লোকালয়ে বাজি মজুত ও উৎপাদন বন্ধ করা যায়।'