তথ্যের অভাবে যোগ্য ও অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের আলাদা করা গেল না। ২০১৬ SSC-র পুরো প্যানেল বাতিল করল সুপ্রিম কোর্ট। যে কারণে হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখল সর্বোচ্চ আদালত। রাজ্যের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক, অশিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীর চাকরি বাতিল করে দিলেন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ।
তাঁরা রায় দেন, তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যাঁরা বাদ যাবেন তাঁদের বেতন দিতে হবে।
কাদের বেতন ফেরত দিতে হবে, কারা ছাড় পেলেন?
যাঁদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন ওঠে আবার নতুন করে বয়সে ছাড় দিয়ে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হোক। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সেটা তাঁরা পাবেন। যাঁরা অন্য সরকারি দফতর থেকে এখানে এসেছিলেন, তাঁরা পুরানো জায়গায় ফেরত যেতে পারবেন। তিন মাসের মধ্যে এই কাজ শেষ করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে তাঁদের চার বছরের বেতন ফেরত দিতে হবে না।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বলেন, "নিয়োগে বিরাট বড় দুর্নীতি হয়েছে। পুরো প্রসেস টেম্পটেড ছিল। আর কিছু রিপেয়ার করা যাবে না। যে নিয়োগ হয়েছিল তার ক্রেডিবিলিটি নিয়ে প্রশ্ন আছে।" সুপ্রিম কোর্ট আরও জানায়, "চারটি প্রিন্সিপাল ল মেনে রায় দেওয়া হয়েছে। অবৈধ শিক্ষকদের টাকা ফেরত দিতে হবে। নতুন করে পরীক্ষায় বসতে পারবেন চাকরি প্রাপকরা। ফ্রেশ সিলেকশন প্রসেস করতে হবে। এই ফ্রেশ সিলেকশন প্রসেসের কাজ তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে রাজ্যকে নির্দেশ। যে সমস্ত প্রার্থীরা অযোগ্য নয়, তাঁরা যে ডিপার্টমেন্টে কাজ করতেন সেখানে কাজ করবেন। প্রতিবন্ধীদের চাকরি থাকছে।" সেক্ষেত্রে বিশেষভাবে সক্ষম হওয়ার কারণে ক্যান্সার আক্রান্ত সোমা দাসের চাকরি বহাল থাকবে।