Darjeeling Hills News: দার্জিলিংয়ে পর্যটক সুরক্ষায় মেগা পরিকল্পনা, পাহাড় বরাবর গড়ে উঠবে ২০০ কোটির দেওয়াল

Darjeeling Hills News: প্রায় দেড় বছর আগে রাস্তাটির দায়িত্ব রাজ্য পূর্ত দপ্তরের হাত থেকে নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থা এনএইচআইডিসিএল-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়। তারপর থেকেই ধাপে ধাপে সংস্কার শুরু হয়েছে। সেবকের পর কালিঝোরা, বিরিকদাড়া, লোহাপুল, ২৯ মাইল ও স্বেতিঝোরার মতো ধসপ্রবণ অঞ্চলে তিস্তা নদীর চরের কাছাকাছি জায়গা থেকে কংক্রিটের গার্ডওয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে।

Advertisement
 দার্জিলিংয়ে পর্যটক সুরক্ষায় মেগা পরিকল্পনা, পাহাড় বরাবর গড়ে উঠবে ২০০ কোটির দেওয়ালদার্জিলিংয়ে পর্যটন সুরক্ষায় মেগা পরিকল্পনা, পাহাড় বরাবর গড়ে উঠবে ২০০ কোটির দেওয়াল

Darjeeling Hills News: সেবক থেকে কালিম্পং ও সিকিমগামী ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক (এনএইচ১০) সংস্কার ও সম্প্রসারণে গতি এনেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা ন্যাশনাল হাইওয়ে ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড (এনএইচআইডিসিএল)। দীর্ঘদিনের ধস সমস্যায় জর্জরিত এই পাহাড়ি রাস্তাকে স্থায়ীভাবে সুরক্ষিত করতে নদীর দিক থেকে কংক্রিটের গার্ডওয়াল তুলে মাটি শক্ত করার কাজ চলছে জোরকদমে। সংস্থা সূত্রে খবর, পুরো প্রকল্প শেষ করতে আরও প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।

আগামী বর্ষার আগেই যাতে ধসের প্রকোপ অনেকটা কমানো যায়, সেই লক্ষ্যেই একাধিক ধসপ্রবণ এলাকায় একসঙ্গে কাজ শুরু হয়েছে। দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্ট জানিয়েছেন, কালিম্পং ও সিকিমের ‘লাইফলাইন’ সচল রাখতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে এনএইচআইডিসিএল। দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে রাস্তা চওড়া করা ও স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য ডিটেইলস প্রোজেক্ট রিপোর্ট (ডিপিআর) তৈরির কাজও চলছে।

এনএইচ১০ দীর্ঘদিন ধরেই ধসের কবলে পড়ে আসছে। মাঝেমধ্যেই পাহাড় থেকে নেমে আসা ধস, বোল্ডার ও পাথুরে মাটি রাস্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে তিস্তায় ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গত বছরও একাধিকবার কয়েকদিন করে কালিম্পং ও সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছিল। বিকল্প রাস্তার কাজ চললেও তা এখনও সম্পূর্ণ না হওয়ায় আপাতত এই জাতীয় সড়কই প্রধান ভরসা।

প্রায় দেড় বছর আগে রাস্তাটির দায়িত্ব রাজ্য পূর্ত দপ্তরের হাত থেকে নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থা এনএইচআইডিসিএল-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়। তারপর থেকেই ধাপে ধাপে সংস্কার শুরু হয়েছে। সেবকের পর কালিঝোরা, বিরিকদাড়া, লোহাপুল, ২৯ মাইল ও স্বেতিঝোরার মতো ধসপ্রবণ অঞ্চলে তিস্তা নদীর চরের কাছাকাছি জায়গা থেকে কংক্রিটের গার্ডওয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে।

এনএইচআইডিসিএল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক প্রায় ২২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। নদীর দিক ছাড়াও পাহাড়ের দিকেও কংক্রিটের রিটেইনিং ওয়াল তুলে ধস রোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেবক থেকে কালিঝোরার মাঝামাঝি এলাকায় ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে।

Advertisement

দীর্ঘমেয়াদে সেবক থেকে তিস্তাবাজার পর্যন্ত পুরো রাস্তা পাহাড় কেটে চওড়া করা এবং নদীর দিক সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই লক্ষ্যে ডিপিআর প্রস্তুতির কাজ এগোচ্ছে। পাহাড়ি অঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ককে স্থায়ীভাবে নিরাপদ রাখতে কেন্দ্রীয় সংস্থা একাধিক প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা গ্রহণের পথে হাঁটছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement