Siliguri Minor Rape Case: নকশালবাড়িতে নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা, গ্রেফতার দুই

Siliguri Minor Rape Case: নির্যাতিতাকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ধৃতদের মধ্যে একজন এর আগেও ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার হয়েছিল।

Advertisement
নকশালবাড়িতে নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা, গ্রেফতার দুইMinor sexual assault case in Siliguriছ নকশালবাড়িতে নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগ

Siliguri Minor Rape Case: নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে নকশালবাড়ি এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, মনিরাম গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত এক চা-বাগানে এক নাবালিকাকে একা পেয়ে নির্যাতন করা হয়। ঘটনাটি সামনে আসতেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, নির্যাতিতার আচরণে সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা বিষয়টি জানতে চান। পরে নাবালিকা নিজেই বাবা-মাকে গোটা ঘটনার কথা জানায়।

এরপরই পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। দ্রুত অভিযানে নেমে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম দীনেশ চিকবড়াইক ও রোমন ওঁরাও। পুলিশ সূত্রে খবর, দু’জনেই নকশালবাড়ির বাসিন্দা।

ধৃতদের শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। নির্যাতিতাকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ধৃতদের মধ্যে একজন এর আগেও ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার হয়েছিল।

এই ঘটনার জেরে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, চা-বাগান সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হোক। নাবালিকা ও মহিলাদের সুরক্ষায় আরও কড়া পদক্ষেপের দাবিও উঠেছে।

উল্লেখ্য, গত বছরও নকশালবাড়ি এলাকায় এক নাবালিকাকে চা-বাগানে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায়ও ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল। আবার অসমের ডিব্রুগড় জেলাতেও এক চা-বাগানে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ সামনে আসে, যা গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আলোড়ন ফেলে দেয়।

পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমান ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, নির্যাতিতার পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে এবং তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement