
দাম কমার পর থেকেই ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়েছে ৭-সিটের রেনল্ট ট্রাইবারে। ভারতীয় বাজারে প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে রেনল্ট। নতুন ডাস্টার নিয়ে জোর চর্চার মাঝেই সংস্থার জনপ্রিয় এমপিভি ট্রাইবার বিক্রিতে বড় সাফল্য পেল। সাশ্রয়ী মূল্য, পরিবার-বান্ধব নকশা এবং সাতজন বসার সুবিধার কারণে এই গাড়িটি দ্রুতই মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।
গত বছরের জুলাইয়ে ফেসলিফ্ট ভার্সনে ট্রাইবার লঞ্চ হওয়ার পর থেকেই আগ্রহ বাড়ে। প্রথমে এর প্রারম্ভিক মূল্য ছিল ৬.৩০ লক্ষ টাকা। তবে জিএসটি ২.০ কার্যকর হওয়ার পর দাম কমে দাঁড়ায় ৫.৭৬ লক্ষ টাকায়। দাম কমার সরাসরি প্রভাব পড়ে বিক্রিতে। এখন পর্যন্ত ভারতে এই মডেলের ২ লক্ষেরও বেশি ইউনিট বিক্রি হয়েছে। শিল্প সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মোট বিক্রি হয়েছে ২,০০,২৫৩টি গাড়ি। পাশাপাশি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ৩৪,২৩৮টি ইউনিট রফতানি হয়েছে।
২০১৯ সালের আগস্টে বাজারে আসার পর গত সাড়ে ছ বছরে ট্রাইবার রেনল্ট ইন্ডিয়ার সবচেয়ে সফল মডেল হয়ে উঠেছে। হ্যাচব্যাকের দামে এমপিভির সুবিধা, এই সমীকরণই ক্রেতাদের টেনেছে।
নতুন মডেলে রয়েছে সম্পূর্ণ পরিবর্তিত ফ্রন্ট ডিজাইন, নতুন হেডল্যাম্প ও এলইডি ডিআরএল, গ্লস ব্ল্যাক গ্রিল এবং নতুন লোগো। ইঞ্জিন হিসেবে আছে ১.০ লিটার, তিন সিলিন্ডার পেট্রোল ইউনিট, যা ৭২ বিএইচপি শক্তি ও ৯৬ এনএম টর্ক উৎপন্ন করে। ম্যানুয়াল ও এএমটি, দু’ধরনের গিয়ারবক্সেই পাওয়া যায়। মাইলেজ ১৯.৫৯ থেকে ১৯.৭৬ কিলোমিটার প্রতি লিটার। ডিলার-ফিটেড সিএনজি কিটের বিকল্পও রয়েছে।
কেবিনে ৮ ইঞ্চির টাচস্ক্রিন ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম (অ্যাপল কারপ্লে ও অ্যান্ড্রয়েড অটো সমর্থিত), ক্রুজ কন্ট্রোল, অটো হেডল্যাম্প, অটো ওয়াইপার ও অটো-ফোল্ড ORVM-এর মতো আধুনিক ফিচার রয়েছে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ছয়টি এয়ারব্যাগ, এবিএস সহ ইবিডি এবং সামনের পার্কিং সেন্সর স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে সাশ্রয়ী দামে বড় পরিবারের জন্য আকর্ষণীয় বিকল্প হিসেবেই নিজের অবস্থান আরও মজবুত করেছে ট্রাইবার।