পোস্ট অফিসের এই স্কিমে নজর রাখতে পারেন। আর তাতেই মাসে মাসে ৯,২৫০ টাকা পর্যন্ত আয় নিশ্চিত।Post Office MIS: প্রতি মাসে হাতে ৯,২৫০ টাকা। এমনটা হলে কার না ভাল লাগে! চাকরি বা ব্যবসার পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের উপায় খুঁজছেন? সেক্ষেত্রে পোস্ট অফিসের এই স্কিমে নজর রাখতে পারেন। আর তাতেই মাসে মাসে ৯,২৫০ টাকা পর্যন্ত আয় নিশ্চিত। মূল্যবৃদ্ধির বাজারে স্থায়ী ও নিরাপদ মাসিক আয়ের উৎস অনেকেই খুঁজছেন। তাঁদের জন্য পোস্ট অফিসের মাসিক আয় স্কিম বা Post Office Monthly Income Scheme (POMIS) আদর্শ হতে পারে। India Post এর এই স্কিমে একবার নির্দিষ্ট অঙ্ক জমা রাখলেই পাঁচ বছর ধরে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সুদ পাওয়া যায়। মেয়াদ শেষে মূল ইনভেস্টমেন্টও সম্পূর্ণ ফেরত মেলে।
কীভাবে মাসে মাসে ৯,২৫০ টাকা আয় হবে?
বর্তমানে এই স্কিমে সুদের হার বছরে ৭.৪ শতাংশ। এই সুদ প্রতি মাসে অ্যাকাউন্টে জমা হয়। সিঙ্গল অ্যাকাউন্টে সর্বোচ্চ ৯ লক্ষ টাকা জমা রাখা যায়। জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা জমা রাখা যায়।
যদি কোনও ব্যক্তি যৌথ অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা জমা রাখেন, তাহলে বছরে সুদ হবে প্রায় ১,১১,০০০ টাকা। অর্থাৎ মাসে প্রায় ৯,২৫০ টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
এই টাকা একেবারেই নির্দিষ্ট। বাজারের ওঠানামার সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। ফলে ঝুঁকির আশঙ্কা নেই বললেই চলে।
কারা সবচেয়ে বেশি বেনেফিট পাবেন?
অনেকেই এই স্কিমকে ‘অতিরিক্ত বেতনের মতো’ ব্যবহার করছেন। কারণ প্রতি মাসে নির্দিষ্ট দিনে টাকা পাওয়া যায়।
পাঁচ বছরের জন্য নিশ্চিন্ত আয়
এই স্কিমের মেয়াদ পাঁচ বছর। এই সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ করা টাকার উপর প্রতি মাসে সুদ পাওয়া যাবে। মেয়াদ শেষে সম্পূর্ণ আসল ফেরত দেওয়া হয়।
এর ফলে বিনিয়োগকারীকে বারবার নতুন করে কোথাও টাকা বিনিয়োগ করার চিন্তা করতে হয় না। স্থায়ী আয়ের জন্য এটি একটি সহজ উপায়।
গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলি জেনে রাখা জরুরি
এই স্কিমে বিনিয়োগের আগে কয়েকটি বিষয় জানা দরকার;
ব্যাঙ্কের সুদের হার কমে যাওয়া এবং শেয়ার বাজারের অনিশ্চয়তার কারণে অনেকেই নিরাপদ বিকল্প খুঁজছেন। পোস্ট অফিসের এই স্কিম সেই জায়গায় ভরসা দিচ্ছে।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে এই তিন প্রশ্ন করুন
এই তিনটির উত্তর যদি ‘হ্যাঁ’ হয়, তাহলে পোস্ট অফিসের এই স্কিম আপনার জন্য উপযুক্ত।
দ্রষ্টব্য: শেয়ার, বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলি বাজার পর্যবেক্ষণ মাত্র। এগুলি বিনিয়োগের পরামর্শ নয়। বাজারে বিনিয়োগের আগে অবশ্যই পড়াশোনা করুন এবং বিশেষজ্ঞের সাহায্য গ্রহণ করুন।