রবার্ট কিওসাকিহু হু করে বাড়ছিল সোনা-রুপোর দাম। তারপর এতে আসে ক্র্যাশ। আর তাতেই চাপে পড়ে গিয়েছেন সাধারণ মানুষ। মাথায় রাখতে হবে, গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার রেকর্ড করেছিল রুপো। এটি পেরিয়ে গিয়েছিল ৪ লক্ষ টাকার গণ্ডি। এমনকী রেকর্ড করেছিল সোনাও। কিন্তু তারপরই ছন্দপতন। ক্র্যাশ করে সোনা এবং রুপোর দাম। যদিও এমন পরিস্থিতি সম্পর্কে আগেই সতর্ক করেছিলেন 'রিচ ড্যাড, পুওর ড্যাড' (Rich Dad, Poor Day) বইটির লেখক রবার্ট কিওসাকি। তবে এই দুই ধাতুর দাম কমার পর আবার পোস্ট করেন রবার্ট। সেখানে তিনি জানান যে, সোনা এবং রুপোর দাম নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। বরং এখন কিনতে হবে। পাশাপাশি তাঁর দাবি, সোনা এবং রুপোর দামে পতন কোনও ক্র্যাশ নয়, এটা সাধারণ সেলিং।
সোনা এবং রুপোর দামে আবার গতি
২৯ জানুয়ারি মার্চ ৫ এক্সপায়ারির ১ কেজি রুপোর দাম ৪২০০৪৮ টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল। আর সেটা ২২৫৮০৫ টাকায় নেমে যায় এই সোমবার। পড়ে যায় ১৯৪২৪৩ টাকা। তবে মঙ্গলবার আবার ঘুরে দাঁড়ায় মার্কেট। বাড়তে শুরু করে দাম। এটি পৌঁছে যায় ২৭০২২৯ টাকা প্রতি কেজি।
এমনটাই ঘটে সোনার দামের ক্ষেত্রেও। সোমবার ২ এপ্রিল এক্সপায়ারির সোনার দাম ১৯৩০৯৬ টাকা থেকে পড়ে যায় ৫৪২০৮ টাকা। যদিও মঙ্গলবার খেলা ঘুরেছে। এটি পৌঁছে যায় ১৫৩৪৬০ টাকায়।
এই বিষয়ে কী বলেন রবার্ট?
সোনা এবং রুপোর দাম পড়ার পরই আতঙ্কে পড়ে যান সাধারণ মানুষ। তবে এই সময় মাথা ঠান্ডা রাখার পরামর্শ দেন রবার্ট। তিনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই বিষয়টা সম্পর্কে লেখেন। তিনি বলেন, 'যখন ওয়ালমার্টে সেল চলে তখন গরিব মানুষ কিনতে যান। কিন্তু যখন অর্থনৈতিক মার্কেটে সেল আসে, তখন ক্র্যাশ ভেবে গরিবেরা নিজেদের সম্পদ বিক্রি করে দিয়ে পালান। এই সময়টা কাজে লাগিয়ে তখন আবার ধনীরা বাজার করতে বেরন। তাঁরা কিনে নেন।' এটাই ধনী এবং গরিবের মধ্যে পার্থক্য বলে মনে করেন তিনি।
সোনা এবং রুপোর দামের এই পতন সম্পর্কে তিনি মনে করেন, এখন এই দুই ধাতুতে সেল চলছে। তাই এই দুই ধাতু কেনা উচিত। তাঁর কথায়, 'আমার হাতে টাকা থাকলে আমি সোনা, রুপো এবং বিটকয়েন কিনে নিতাম।' পাশাপাশি তাঁর জিজ্ঞাসা, 'এখন আপনারা কী করবেন?'
আর তাঁর এই পোস্টই এখন ঝড়ের গতিতে শেয়ার হচ্ছে। অনেকেই তাঁর মতামত ঠিক বলে মনে করছেন।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।