প্রভিডেন্ট ফান্ডে (EPF) পর্যাপ্ত টাকা থাকা মানে শুধু সেভিংস নয়, আপনার ভবিষ্যত্কেও সুনিশ্চিত ও নিরাপদ করে এই PF।
জরুরি প্রয়োজন থেকে শুরু করে আয়কর বাঁচানো, পিএফ-এ পর্যাপ্ত টাকা থাকার অনেক সুবিধা। EPF-এ গ্রাহক ও কোম্পানি ১২ শতাংশ করে কন্ট্রিবিউট করে।
EPF চালু রাখার একাধিক ফায়দা। বিশেষ করে ভবিষ্যতে অনেক ভরসার জায়গা প্রভিডেন্ট ফান্ড।
EPF-এর মাধ্যমে প্রতি মাসে সামান্য অংশ সঞ্চিত হয় এবং এর ওপর সুদ যোগ হয়। দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে এটি একটি বড় তহবিলে পরিণত হয়, যা অবসরের পর আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।
EPF থেকে পুরো অর্থ একসঙ্গে তোলা সম্ভব না হলেও, নির্দিষ্ট কারণ যেমন চিকিৎসা খরচ, বাড়ির ঋণ পরিশোধ, উচ্চশিক্ষা বা বিবাহের জন্য আংশিক অর্থ তোলা যায়। ফলে উচ্চ সুদের ঋণ না নিয়েও জরুরি সময়ে আর্থিক সহায়তা পাওয়া সম্ভব।
অনেকেই জানেন না যে, EPF-এর আওতায় Employees’ Deposit Linked Insurance (EDLI) স্কিমের সুবিধাও রয়েছে। যদি কোনো কর্মী চাকরিরত অবস্থায় মারা যান, তাহলে তার নমিনি এককালীন আর্থিক সহায়তা পান, যা হঠাৎ আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি কমায়।
EPF-এ কর্মীর অবদান আয়কর আইনের ৮০C ধারার অধীনে কর ছাড়ের যোগ্য। কর্মচারীরা বছরে সর্বোচ্চ ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড়ের সুবিধা পেতে পারেন।
সরকার প্রতি বছর EPF-এর সুদের হার পর্যালোচনা করে নির্ধারণ করে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য সুদের হার ৮.২৫%, যা নিশ্চিত করে যে আপনার সঞ্চয় ধাপে ধাপে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক স্বাধীনতা অর্জনে সহায়ক হচ্ছে।
EPF কেবলমাত্র অবসরের জন্য নয়, বরং এটি একটি আর্থিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা যা বিভিন্ন সময়ে উপকারী হতে পারে। তাই, EPF-এর সঞ্চয় বজায় রাখুন এবং ভবিষ্যতের জন্য আর্থিকভাবে সুরক্ষিত থাকুন।