
Mahashivratri 2026 Rashifal: মহাশিবরাত্রি ২০২৬ ঘিরে জ্যোতিষ মহলে বাড়তি কৌতূহল। চলতি বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি মহাশিবরাত্রির দিন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ গ্রহের অবস্থান বদলের ফলে তৈরি হচ্ছে বিশেষ যোগ। জ্যোতিষীদের মতে, মঙ্গল, বুধ ও চন্দ্রের অনুকূল সংযোগে কিছু রাশির জীবনে খুলতে চলেছে সাফল্য ও সমৃদ্ধির দরজা।
জানা গিয়েছে, ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরের পর মঙ্গল ধনিষ্ঠা নক্ষত্রে প্রবেশ করবে এবং একই সময় চন্দ্র মকর রাশিতে অবস্থান নেবে। এই যুগল অবস্থান কর্মজীবন ও আর্থিক ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মত জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের।
অন্যদিকে, রাত প্রায় ৯টা নাগাদ বুধ পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্রে প্রবেশ করবে। এই বিরল গ্রহ-সংযোগের ফলেই মহাশিবরাত্রির পরের দিন, অর্থাৎ ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে গঠিত হচ্ছে মহালক্ষ্মী রাজযোগ। এই যোগ ধনলাভ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এই বিশেষ যোগের প্রভাবে সবথেকে বেশি লাভবান হতে পারেন মেষ রাশির জাতক-জাতিকারা। কর্মক্ষেত্রে উন্নতি, নতুন চাকরির সুযোগ, ব্যবসায় লাভজনক চুক্তি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মিথুন রাশির ক্ষেত্রেও সময় অনুকূল। বুধের প্রভাবে যোগাযোগ দক্ষতা বাড়বে, বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে সাফল্য আসবে এবং পড়াশোনা বা লেখালেখির সঙ্গে যুক্তদের জন্য সময়টি বিশেষ শুভ হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে।
ধনু রাশির জাতকদের জন্যও সুখবর। ভাগ্যোন্নতি, আর্থিক স্থিতি এবং জীবনের একাধিক ক্ষেত্রে অগ্রগতির যোগ তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘদিনের আটকে থাকা কাজ এগিয়ে যেতে পারে এই সময়।
মকর রাশির জাতক-জাতিকাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। পার্টনারশিপের কাজে লাভ, সম্পত্তি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে সাফল্য, দাম্পত্য জীবনে সমতা এবং কর্মক্ষেত্রে স্বীকৃতি মিলতে পারে এই যোগের প্রভাবে।
এছাড়াও কর্কট, তুলা ও বৃষ রাশির জাতকরাও এই সময় কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। স্বাস্থ্যগত উন্নতি, পরিশ্রমের ফল পাওয়া এবং পারিবারিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে গ্রহের অবস্থান।
জ্যোতিষীদের মতে, মহাশিবরাত্রির দিনে উপবাস, রুদ্রাভিষেক ও শিবপুজো করলে এই গ্রহযোগের শুভ ফল আরও বৃদ্ধি পায়। তাই ভক্তদের কাছে এবারের মহাশিবরাত্রি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠছে।