Basanti Puja 2026 Totka: বাসন্তী পুজোতো, অভাব-অনটন কাটাতে হলুদ সর্ষের টোটকায় কি ফিরবে ভাগ্য?

Basanti Puja 2026 Totka: সংসারে কি অকারণ অশান্তি লেগেই রয়েছে? তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি লাল কাপড়ে কিছুটা হলুদ সর্ষে বেঁধে বাড়ির মূল প্রবেশপথে ঝুলিয়ে দিলে নেতিবাচক শক্তি আর ঘরে প্রবেশ করতে পারে না। এতে অকারণে মন খারাপ বা টেনশন থেকেও মুক্তি মেলে।

Advertisement
বাসন্তী পুজোতো, অভাব-অনটন কাটাতে হলুদ সর্ষের টোটকায় কি ফিরবে ভাগ্য?বাসন্তী পুজা ২০২৬

Basanti Puja 2026 Totka: আজ ২৪ মার্চ, মঙ্গলবার। বোধনের মন্ত্রোচ্চারণে রাজ্যজুড়ে শুরু হলো বাসন্তী পুজো। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের তালিকায় এই পুজোর মাহাত্ম্য অনস্বীকার্য। পুরাকাল থেকে চলে আসা এই বসন্তকালীন আরাধনা চলবে আগামী ২৮ মার্চ, শনিবার পর্যন্ত। শাস্ত্রজ্ঞদের মতে, এই ক’দিন নিষ্ঠাভরে দেবী দুর্গার আরাধনা করলে কেবল মানসিক শান্তিই নয়, বরং জীবনের যাবতীয় বাধাবিপত্তি থেকেও মুক্তি মেলে। তবে শুধু পুজো-অর্চনাই নয়, চলতি লোকবিশ্বাস ও জ্যোতিষশাস্ত্রে এই পুজোর দিনগুলিতে ‘হলুদ সর্ষে’র কিছু বিশেষ টোটকা পালনের রেওয়াজ রয়েছে, যা পালন করলে ঘর থেকে অশুভ শক্তি বিদায় নেয় বলে বিশ্বাস বহু মানুষের।

সংসারে কি অকারণ অশান্তি লেগেই রয়েছে? তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি লাল কাপড়ে কিছুটা হলুদ সর্ষে বেঁধে বাড়ির মূল প্রবেশপথে ঝুলিয়ে দিলে নেতিবাচক শক্তি আর ঘরে প্রবেশ করতে পারে না। এতে অকারণে মন খারাপ বা টেনশন থেকেও মুক্তি মেলে। আবার চৈত্র মাসের এই তপ্ত দিনে যখন বহু মানুষ আর্থিক সঙ্কটে জেরবার, তখন রাতে শুতে যাওয়ার আগে এক মুঠো হলুদ সর্ষে নিজের মাথার ওপর সাতবার ঘুরিয়ে কোনও ফাঁকা জায়গায় বা নদীর জলে ভাসিয়ে দিলে সম্পদ অর্জনের পথ প্রশস্ত হয় বলে মনে করা হয়। ঋণের জালে জড়িয়ে থাকলে লাল কাপড়ে হলুদ সর্ষে বেঁধে আলমারির লকারে রাখার নিদানও দিচ্ছেন অনেকে।

কেরিয়ার বা ব্যবসায় যাঁদের উন্নতি থমকে গিয়েছে, তাঁদের জন্য বাসন্তী পুজোর সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এই উৎসবের দিনগুলির মধ্যে কোনও রবিবার বা মঙ্গলবার পড়লে, সেদিন এক মুঠো হলুদ সর্ষে মাথার ওপর ঘুরিয়ে দক্ষিণ দিকে মুখ করে বাড়ির বাইরে ফেলে দিলে কর্মক্ষেত্রে অগ্রগতির পথ সুগম হয়। যদিও এসবই বিশ্বাস ও আস্থার বিষয়, তবে বাসন্তী পুজোর এই ক’দিন বাঙালির ঘরে ঘরে যে ভক্তির বাতাবরণ তৈরি হয়েছে, তাতে এই আদি উৎসবের আকর্ষণ যে বিন্দুমাত্র কমেনি, তা বলাই বাহুল্য। আপাতত দেবীর আগমনে চৈত্র সেল আর কাঠফাঁটা রোদের মাঝেই খুশির মেজাজে তিলোত্তমা তথা সারা বাংলা।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement