খেজুর কেন খাওয়া হয় রোজা ভাঙার পর?রমজান মাস চলছে। এই বছর ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে রমজান। সারা দিন উপোস করে সূর্যাস্তের পর কিছু মুখে দেওয়া— রমজান মাসের এটাই রেওয়াজ। যুগ যুগ ধরে দেশে দেশে রমজানের ইফতারে খেজুর খাওয়ার রীতি। কেন সবাই খেজুর খান উপোস ভাঙার সময়? শুধুই ধর্মীয় বিশ্বাস, না কি এর রয়েছে কিছু স্বাস্থ্যকর দিকও?
অনেকেই মনে করেন, খেজুর হল মুসলিমদের ধর্মগুরু হজরত মহম্মদের প্রিয় ফল। তিনি সব সময়ে রোজা ভাঙতেন খেজুর দিয়েই। আর সে কারণে খেজুর খেয়েই রোজা ভাঙার রীতি চালু হয়েছে মুসলিমদের মধ্যে। অন্য দিকে, সারাদিন উপোসের পর এমন কিছু খাওয়া জরুরি, যা কম সময়ে জোগাবে কর্মশক্তি। তার জন্য খেজুর খুব উপযোগী একটি খাদ্য। পাশাপাশি, খেজুরে রয়েছে আরও নানা গুণ। জেনে নিন কেন রোজার সময়ে খেজুর খাওয়া এত উপকারী।
খেজুর খাওয়ার উপকারিতা
খেজুর হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। সারাদিন না খাওয়ার পর সন্ধ্যায় ইফতারে ভালমন্দ খাওয়ার চল রয়েছে। বিশেষ করে নানা ধরনের ফল এবং ভাজাভুজি খান অনেকে। খেজুর সে সব খাবার হজম করতে সাহায্য করে।
এছাড়াও খেজুরে রয়েছে পুষ্টির নানা উপাদান। বিশেষ করে টানা উপোসের সময়ে শরীরের ফাইবার প্রয়োজন। খেজুর তা জোগাতে পারে।
রোজা মানেই সারাদিন কিছু না খেয়ে থাকা। কিন্তু দিনের কাজ তো চালিয়ে যেতে হয়। তার জন্য শরীর সচল রাখতে হবে। খেজুরে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ভিটামিন। এই তিনটি উপাদান শরীর সচল রাখে।
খেজুরে উপস্থিত রয়েছে ক্ষারীয় লবণ। তা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। পরিমিত মাত্রায় খেলে নিয়ন্ত্রণ করে রক্তে শর্করার মাত্রাও।
খেজুরে ভাল মাত্রায় জল থাকে। উপোস করার পর শরীরে জলের ঘাটতি হয়, এই সমস্যা দূর করতে খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যকর।
খেজুর শরীরে হিমোগ্লোবিন (Hb) এবং শক্তির মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। ঘুমের সমস্যা দূর করে।
রোজার পর কীভাবে খেজুর খাবেন?
আপনি সরাসরি খেতে পারেন। নয়তো এগুলি জলে ভিজিয়ে রাখুন, দুধে যোগ করুন অথবা স্মুদিতে মিশিয়ে নিন, যা দীর্ঘ দিনের ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করতে পারে।