শিশুরা অনেকটা ভেজা মাটির মতো। যেমন কুমোর মাটির তালকে আকার দেয়, সেরকমই বাবা-মাও শিক্ষকের ভূমিকা পালন করে। বাবা-মায়েদের উচিত তাদের সন্তানদের সঠিক বয়সে সঠিক জিনিস শেখানো। অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের ব্যাপারে সবসময় সতর্ক থাকেন। তারা সব সময় চিন্তিত থাকে যে এমন কিছু ঘটতে পারে, যা তাদের সন্তানের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
বাবা-মায়ের দায়িত্ব এখানেই শেষ নয়। সন্তানের নিরাপত্তার পাশাপাশি, তারা যেন খারাপ সঙ্গ না পায় সেদিকে খেয়াল রাখাও তাদের জরুরি। সেই সঙ্গে শিশুকে নিরাপদ থাকার উপায় বলা প্রয়োজনীয়। অভিভাবকদের কিছু বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে, যাতে শিশু কোনও সমস্যায় না পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বাবা- মায়ের জন্য পেরেন্টিং টিপস দিচ্ছেন।
* সন্তানের বাড়িতে আসার এবং কোথাও যাওয়ার সময় জানা উচিত। তবে খুব কড়া হওয়ার দরকার নেই। যদি তারা বাড়িতে আসতে দেরি করে, তবে আগেই বকাবকি না করে ভাল করে দেরিতে ফেরার কারণটি জানার চেষ্টা করুন। সে কোনও ভুল করলে, বন্ধুর মতো তাকে আগে বোঝান।
* পার্টি বা ইভেন্টে খোলামেলা পোশাক পরার ট্রেন্ড রয়েছে। তবে সন্তান যদি না বুঝে স্কুল, কলেজ বা অফিসে এরকম পোশাক পরে যেতে চায়, তাকে শালীনতাবোধ বা ঠিক- ভুল বুঝিয়ে বলুন।।
* একজন মা বা বাবার চেয়ে সন্তানের সঙ্গে বন্ধুর মতো আচরণ করা সখুবই গুরুত্বপূর্ণ । যাতে তারা আপনার সঙ্গে খোলামেলাভাবে সব কিছু শেয়ার করতে পারে। এতে সে কোনও বিপদে পড়লে নি আগে থেকেই জানতে পারবেন।
* আপনার সন্তান কার সঙ্গে যোগাযোগ করে তা জানাও আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
* সন্তানের নিরাপদ থাকার প্রাথমিক নিয়মগুলি শেখানো নিশ্চিত করুন। তাদের ব্যাগে সব সময় এমন কিছু জিনিস রাখুন যা, তারা কঠিন সময়ে ব্যবহার করতে পারে।
* বাবা- মা কীভাবে কোনও জিনিসগুলি সন্তানকে ব্যাখ্যা করছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের চিন্তাভাবনাকে সম্মান করতে হবে। সব সময় তাদের উপর নিজের মতামত চাপিয়ে দেওয়া ভুল।