কাশি কমানোর টিপস(লিখছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা: উৎসব দাস)
হঠাৎই বদলে গিয়েছে আবহাওয়া। ঝড়বৃষ্টির জন্য কমেছে তাপমাত্রা। আর এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই কাশির ফাঁদে পড়ছেন। তাঁদের কাশি কিছুতেই কমতে চাইছে না। সারাদিন কেশেই যাচ্ছেন।
তবে মনে রাখবেন, কাশি না কমলেই কিন্তু কাফ সিরাপ খাওয়া ঠিক হবে না। বরং তার আগে নিতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ। তিনি যেই ধরনের সিরাপ খেতে বলবেন, সেটিই খান। নইলে বিপদ বাড়তে পারে। বৃদ্ধি পেতে পারে সমস্যা। তাই সবার প্রথমে কাফ সিরাপের থেকে দূরত্ব তৈরি করে নিন।
এখন প্রশ্ন হল, এমনটা হলে কোন কোন ওষুধ খাওয়া যেতে পারে? তার উত্তরে বলি, অ্যান্টিঅ্যালার্জিক যে কোনও ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। এই সব ওষুধ খেলেই দেখবেন সমস্যা কিছুটা কমে যাবে। আর জ্বর থাকলে খেতে পারেন প্যারাসিটামল। এর বেশি কোনও ওষুধ চলবে না। এর থেকে বেশি ওষুধ খেতে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
অ্যান্টিবায়োটিক নয়
অনেকেই কাশি হলেই ওষুধের দোকানে বলে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে এনে খেতে শুরু করে দেন। আর এই ভুলটা করেন বলেই বিপদ বাড়ে। শরীরের হাল বিগড়ে যাওযার আশঙ্কা তৈরি হয়।
আসলে অ্যান্টিবায়োটিক খুবই কার্যকরী ওষুধ। কিন্তু এটি ভুলভাবে খেলে বা এর কোর্স না শেষ করলে বিপদ বাড়তে পারে। তখন পিছু নিতে পারে বড়সড় সমস্যা। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স তৈরি হতে পারে। আর সেটা কোনও ভাল জিনিস নয়। এর ফলে পরবর্তী সময় ওই অ্যান্টিবায়োটিক কাজ না করতে পারে। তাই এই বিষয়টা নিয়ে সাবধান হয়ে যান।
এই সব ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করুন
এই সমস্যা কমাতে চাইলে সবার প্রথমে গার্গল করা শুরু করুন। এটি করলে ইরিটেশন কমবে। যার ফলে সুস্থ থাকার কাজে এগিয়ে যাবেন।
এছাড়া সময় পেলেই স্টিম নিন। আপনি স্টিম নিলেই দেখবেন কমে যাবে সমস্যা। সুস্থ থাকার কাজে এগিয়ে যাবেন। তাই চিন্তার কারণ নেই। তবে এরপরও যদি সমস্যা না কমে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ, এর পিছনে থাকতে পারে বড় কোনও সমস্যা। তাই দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বিষয়টা বাড়াবাড়ি দিকে মোড় নিতে পারে।
বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।