বাগুইআটিতে যুবতীর রহস্যমৃত্যু। দেশবন্ধু নগরের একটি অভিভাজ আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার মণীষা রায়ের দেহ। পেশায় বার ডান্সার ছিলেন তিনি। তাঁর গলায় ফাঁসের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। তবে এটা খুন না আত্মহত্যা তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন মণীষা। ওড়িশার বাসিন্দা অন্তর্যামী সোরেনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর। তাঁর সঙ্গেই সোমবার রাতে পার্টি করেন মণীষা। এরপর সোমবার দুপুরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।
জানা যায়, তিন তলার ফ্ল্যাটের কোলাপসেবল গেটের ৩টি তালা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন বাগুইআটি থানার আধিকারিকরা। ফ্ল্যাটের একটি ঘরে বিছানায় শোয়ানো ছিল মণীষার দেহ। গলায় ছিল ফাঁসের দাগ। দেহ উদ্ধারের পরই মণীষার পুরুষসঙ্গী অন্তর্যামী সোরেনকে আটক করে পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, বাগুইআটির আক্রান্ত প্রোমোটার কিশোর হালদারের প্রথম পক্ষের মেয়ে এই মণীষা রায়। ১৫ বছর আগে মণীষার মায়ের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় কিশোর হালদারের। তারপর সেই ফ্ল্যাটে মণীষা তাঁর মায়ের সঙ্গে একা থাকতেন। তবে মণীষার মা সম্প্রতি মারা যান। এরপর থেকে ওই ফ্ল্য়াটে একা থাকছিলেন ওই যুবতী।
পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ফ্ল্যাটে মণীষার বন্ধুবান্ধবদের যাতায়াত ছিল। তাঁরা মাঝে মধ্যে আসতেন। গতরাতেও পার্টি হয়। অন্তর্যামী সোরেন সেখানে আসেন। পার্টি করেন। এরপর দুপুরে মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তবে কীভাবে মারা গেলেন তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।