আশঙ্কা সত্যি করে স্টক মার্কেটে ধসআশঙ্কা ছিলই। সোমবার বাজার খুলতেই সত্যি হল সেই আশঙ্কা। বিদেশ থেকে আসা নেগেটিভ সঙ্কেতের মধ্যেই ধরাশায়ী হল ভারতীয় শেয়ার বাজারও। আমেরিকা-ইরানের যুদ্ধ আরও ভয়ঙ্কর আকার নেওয়া, অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির জেরে সপ্তাহের প্রথম দিনেই মুখ থুবড়ে পড়ল দালাল স্ট্রিট। এদিন বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে প্রায় ১৮০০ পয়েন্ট পড়ে যায় সেনসেক্স। অন্যদিকে, নিফটি ৫০-ও প্রায় ৫৭৫ পয়েন্টের পতনের সাক্ষী ছিল। BSE-তে লার্জক্যাপের বেশিরভাগ শেয়ারই এদিন মুখ থুবড়ে পড়েছে।
খোলার সাথে সাথেই সেনসেক্স-নিফটির পতন:
সোমবার, শেয়ার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই দালাল স্ট্রিটে আতঙ্ক নজরে আসে। বিএসই সেনসেক্স সূচক তার আগের দিনের ৭৪,৫৩২.৯৬ পয়েন্টের তুলনায় মারাত্মকভাবে কমে ৭৩,৭৩২ পয়েন্টে খোলে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই এই পতন আরও তীব্র হয়। যার ফলে সেনসেক্স প্রায় ১৬০০ পয়েন্ট কমে ৭২,৯৭৭ পয়েন্টে নেমে আসে। এর কয়েক মিনিট পর, এই পতন আরও বাড়ে এবং সেনসেক্স ১৮০০ পয়েন্টের বেশি কমে ৭২,৭২৪ পয়েন্টে লেনদেন হয়। বেলা ১২ টা নাগাদ অবশেষে সেনসেক্স রয়েছে ৭২ হাজার ৮০১ পয়েন্টে।
শুধু সেনসেক্সই নয়, খোলার সঙ্গে সঙ্গেই নিফটি ৫০-এরও ব্যাপক পতন ঘটে। সূচক ২২,৮২৪ পয়েন্টে খোলে, যা আগের শুক্রবারের ২৩,১১৪ পয়েন্টের ক্লোজিং প্রাইস থেকে কম। এরপর সেনসেক্সের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই এটি ৪৮০ পয়েন্ট কমে ২২,৬৩৪ পয়েন্টে নেমে আসে। কিছুক্ষণ লেনদেনের পর, এটি আরও ৫৭৫ পয়েন্ট কমে ২২,৫৩৮ পয়েন্টে লেনদেন হয়। বেলা ১২টার সময় নিফটি ৫০ রয়েছে ২২ হাজার ৫৩৬ পয়েন্টে।
অপরিশোধিত তেলের দাম চড়েছে
যুদ্ধের জেরে দাম চড়ছে অপরিশোধিত তেলেরও। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম রয়েছে ১১২ ডলার প্রতি ব্য়ারেল। যা কিনা চলতি সপ্তাহের শুরুতে ছিল ১০১ ডলারের আশেপাশে। অন্যদিকে বেড়েছে WTI ক্রুডের দামও। আজ বিশ্ব বাজারে WTI ক্রুড অয়েলের দাম রয়েছে ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার। যা কিনা এক মাস আগে, অর্থাৎ যুদ্ধ শুরুর আগে ছিল মাত্র ৬৬ ডলার। এক সপ্তাহ আগেও এই তেলের দাম ছিল ৯৪ ডলারের আশেপাশে।