Content Creators Income Tax: কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের কীভাবে আয়কর দিতে হবে? ITR ফাইল কীভাবে? বিস্তারিত রইল

বর্তমানে ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্ম থেকে আয় করা একটি লাভজনক পেশা। তবে এই আয়ের ক্ষেত্রে আয়কর এবং জিএসটি-র নিয়মগুলি মেনে চলা জরুরি।

Advertisement
কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের কীভাবে আয়কর দিতে হবে? ITR ফাইল কীভাবে? বিস্তারিত রইলকন্টেন্ট ক্রিয়েটারদের কীভাবে আয়কর
হাইলাইটস
  • কোন কোন উত্‍স থেকে আয়ে আয়কর?
  • আয়ের উৎস এবং করের ধরন
  • জিএসটি (GST) কখন বাধ্যতামূলক?

কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে লাফিয়ে। YouTube, Instagram সহ নানা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে উপার্জনের জন্য কন্টেন্ট ক্রিয়েটারকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন বহু মানুষ। ক্রিয়েটারস মার্কেটিং ব্র্যান্ডগুলির বিজ্ঞাপনের অন্যতম মাধ্যম। যাঁর যত ফলোয়ার, তাঁর তত চাহিদা। কিন্তু একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কন্টেন্ট ক্রিয়েটাররা যে আয় করেন, তা আয়কর মুক্ত নয়। ভারতের আয়কর আইন অনুযায়ী, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে যে আয় হবে, অবশ্যই আয়কর রিটার্ন ফাইলের সময় খোলসা করতে হবে।

কোন কোন উত্‍স থেকে আয়ে আয়কর?

বর্তমানে ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্ম থেকে আয় করা একটি লাভজনক পেশা। তবে এই আয়ের ক্ষেত্রে আয়কর এবং জিএসটি-র নিয়মগুলি মেনে চলা জরুরি।

আয়ের উৎস এবং করের ধরন

আয়কর বিধি নিয়ম অনুযায়ী, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে হওয়া আয়কে সাধারণত 'Profits and Gains from Business or Profession' হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রধান আয়ের উৎসগুলি হল,

ইউটিউব বা ফেসবুকের বিজ্ঞাপন (Ad Revenue)।

ব্র্যান্ড এন্ডোর্সমেন্ট এবং স্পনসরড পোস্ট।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কমিশন।

ফ্যানদের থেকে পাওয়া কন্ট্রিবিউশন।

নিজস্ব মার্চেন্ডাইজ বা ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি।

উপহার বা অনুদান কি করযোগ্য?

অনেক সময় ব্র্যান্ডগুলি প্রচারের বিনিময়ে ফোন, কসমেটিকস বা পোশাক উপহার দেয়। যদি ক্রিয়েটর সেই পণ্যটি নিজের কাছে রেখে দেন, তবে তার বাজারমূল্য আয়ের অংশ হিসেবে ধরা হবে। আয়কর আইনের 194R সেকশন অনুযায়ী, বছরে এই ধরনের আয়ের মূল্য ২০,০০০ টাকার বেশি হলে কোম্পানিকে ১০% হারে টিডিএস (TDS) কাটতে হবে।

জিএসটি কখন বাধ্যতামূলক?

একজন ক্রিয়েটর বা ইনফ্লুয়েন্সারের বার্ষিক টার্নওভার যদি ২০ লক্ষ টাকার বেশি হয়, তবে জিএসটি রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক। রেজিস্ট্রেশনের পর ব্র্যান্ড প্রমোশন বা স্পনসরশিপের ওপর সাধারণত ১৮% হারে জিএসটি ধার্য করা হয়।

আয়কর রিটার্ন (ITR) জমা দেওয়া

আয়ের পরিমাণ এবং হিসাব রাখার পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে ক্রিয়েটরদের নির্দিষ্ট ফর্ম বেছে নিতে হয়। যারা প্রিজাম্পটিভ ট্যাক্সেশন স্কিম বেছে নেন এবং বিস্তারিত খাতা মেইনটেইন করেন না। যাদের আয়ের পরিমাণ অনেক বেশি এবং যারা পেশাদারভাবে সমস্ত হিসেব ও অডিট বজায় রাখেন।

Advertisement

খরচ বাদ দিয়ে কর সাশ্রয়

কন্টেন্ট ক্রিয়েটের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামের খরচ মোট আয় থেকে বাদ দেওয়া যায়। যেমন, সফটওয়্যার: Canva, Adobe Premiere, ChatGPT বা AI টুলসের সাবস্ক্রিপশন ফি। ক্যামেরা, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, মাইক্রোফোন বা লাইটিং সেটআপের খরচ। এডিটিং বা প্রোডাকশনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য খরচ।

POST A COMMENT
Advertisement