
Pre-Marriage Caution For Couple: বিয়ের আগে বর-কনের কয়েকটি জরুরি মেডিকেল পরীক্ষা ভবিষ্যৎ দাম্পত্য জীবন ও অনাগত সন্তানের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, থ্যালাসেমিয়া, রক্তের গ্রুপ ও Rh ফ্যাক্টর, যৌনরোগ এবং সংক্রামক রোগ। এই চারটি পরীক্ষা আগে থেকেই করালে অনেক জটিলতা এড়ানো সম্ভব। এসব পরীক্ষার মাধ্যমে জিনগত রোগ, রক্তের অমিলজনিত সমস্যা এবং সংক্রমণের ঝুঁকি আগেভাগেই চিহ্নিত করা যায়।
থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলোর একটি। কারণ বর ও কনে দু’জনেই যদি থ্যালাসেমিয়া বাহক হন, তাহলে তাঁদের সন্তানের এই মারাত্মক বংশগত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একইভাবে রক্তের গ্রুপ ও Rh ফ্যাক্টর পরীক্ষা প্রয়োজনীয়। বরের রক্ত Rh পজিটিভ এবং কনের Rh নেগেটিভ হলে গর্ভাবস্থায় জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে আগে থেকেই বিষয়টি জানা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।
এছাড়াও এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি ও সি-র মতো সংক্রামক রোগ এবং সিফিলিস, গনোরিয়ার মতো যৌনরোগের পরীক্ষাও জরুরি। এই রোগগুলি স্বামী-স্ত্রী এবং অনাগত সন্তানের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে ও ভবিষ্যতে বন্ধ্যাত্ব বা গুরুতর শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, বিয়ের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর কিন্তু বিয়ের অন্তত ২-৩ মাস আগে এই সব পরীক্ষা করিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ, যাতে প্রয়োজন হলে যথাযথ চিকিৎসা শুরু করা যায়।