প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের শারীরিক অবস্থা গুরুতর। তাঁকে পাটনার পরস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দিল্লিতে চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। তবে আপাতত পাটনাতেই ভর্তি রয়েছেন তিনি।
সূত্রের খবর, রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেছে লালু প্রসাদ যাদবের। সেই কারণেই স্বাস্থ্যের অবনতি। পাটনার চিকিৎসকরা তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বুধবার তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি বেশি হয়।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মুম্বইয়ে তাঁর এনজিওপ্লাস্টি করা হয়। এর আগে ২০২২ সালে তিনি সিঙ্গাপুরে একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করেছিলেন। তাঁর ছোট মেয়ে রোহিনী আচার্য কিডনি দান করেছিলেন বাবাকে।
প্রসঙ্গত, বার্ধক্যজনিত অসুখে দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছেন লালু প্রসাদ যাদব। এর আগেও একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। শারীরিক অবস্থার অবনতিও হয়েছে। পরিবার সূত্রে খবর, গত ২ দিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয় তাঁকে চিকিৎসকদের তরফে। এরপরই তাঁকে বিহারের পাটনার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যদিও তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হতে পারে আরও ভালো চিকিৎসার জন্য।
এর আগে ২০১৪ সালে হার্টের সার্জারি হয়েছিল লালু প্রসাদ যাদবের। ২০২২ সালে তাঁর কিডনির অসুখ ধরা পড়ে। কিডনি ট্রান্সফার করানো হয়। তারপর থেকে মোটামোটি সুস্থই ছিলেন। তবে ফের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে তাঁকে সুগার বেড়ে যাওয়ায়।
দেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ নেতা লালু প্রসাদ যাদব। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। দেশের রেলমন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন তিনি। বিহারে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৭ সালে তাঁর সংসদীয় রাজনীতিতে প্রবেশ। সেবারই প্রথম লোকসভায় সাংসদ হন।