Lashkar module India : হাফিজ সইদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল ধৃত জঙ্গিদের হ্যান্ডলারের, চাঞ্চল্যকর তথ্য

সূত্রের দাবি, হ্যান্ডলার হিসেবে চিহ্নিত শব্বির আহমেদ লোন আদতে কাশ্মীরের বাসিন্দা। বর্তমানে বাংলাদেশে আছে সে। তার সঙ্গে লস্করের যোগাযোগ সেই ২০০৭ সাল থেকে। সম্প্রতি ধরা পড়া জঙ্গি মডিউলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলেছিল সে। 

Advertisement
হাফিজ সইদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল ধৃত জঙ্গিদের হ্যান্ডলারের, চাঞ্চল্যকর তথ্য  Shabbir Ahmad Lone
হাইলাইটস
  • সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানে গ্রেফতার লস্কর-ই-তইবার ৮ সন্দেহভাজন জঙ্গি
  • তাদের হ্যান্ডেলারের সঙ্গে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি যোগ ছিল

সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানে গ্রেফতার লস্কর-ই-তইবার ৮ সন্দেহভাজন জঙ্গি। তাদের হ্যান্ডেলারের সঙ্গে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি যোগ ছিল। খবর ইন্ডিয়া টুডে টিভি সূত্রে। এই নেতৃত্বের মধ্যে ছিল ২৬/১১ মুম্বই হামলার মাস্টার মাইন্ড হাফিজ সইদ এবং জাকিউর হরমান লকভি। 

সূত্রের দাবি, হ্যান্ডলার হিসেবে চিহ্নিত শব্বির আহমেদ লোন আদতে কাশ্মীরের বাসিন্দা। বর্তমানে বাংলাদেশে আছে সে। তার সঙ্গে লস্করের যোগাযোগ সেই ২০০৭ সাল থেকে। সম্প্রতি ধরা পড়া জঙ্গি মডিউলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলেছিল সে। 

সূত্রের দাবি, ২০০৭ সালে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল শব্বির লোনকে গ্রেফতার করার সময়ই তার সঙ্গে হাফিজ সইদ ও লখভির সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছিল। সেই সময় উদ্ধার হওয়া নথিতে দেখা গিয়েছিল, লস্করের এই দুই শীর্ষ নেতার সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তদন্তে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা Inter-Services Intelligence (আইএসআই)-র সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিতও মিলেছে। সূত্রের খবর, আইএসআই ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের সন্ত্রাসমূলক হামলার জন্য নিয়োগের চেষ্টা করছে।

সাম্প্রতিক গ্রেফতারের পর দিল্লি পুলিশের সন্দেহ, নিয়োগ এবং অপারেশনাল পরিকল্পনার জন্য আইএসআই আর্থিক সহায়তাও করছিল।

আজই বড়সড় সন্ত্রাসচক্রের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আট সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ, আইএসআই ও বাংলাদেশভিত্তিক চরমপন্থী সংগঠনের নির্দেশে এই চক্রান্ত করা হচ্ছিল।

গ্রেফতার হওয়া ছয়জনের নাম মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ শাহিদ এবং মোহাম্মদ উজ্জ্বল। এদের তামিলনাড়ুর তিরুপ্পুর জেলার বিভিন্ন গার্মেন্টস ইউনিট থেকে গ্রেফতার করা হয়। বাকিদের পশ্চিমবঙ্গ থেকে। 

একাধিক জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান চালানো হয়। শনিবারই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তরফে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল যে, দিল্লির লালকেল্লা সংলগ্ন এলাকায় বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে। গোয়েন্দা ইনপুটে জানা যায়, লস্কর ভারতে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানগুলিকে টার্গেট তালিকায় রেখেছে।

তল্লাশিতে অভিযুক্তদের কাছ থেকে ডজনখানেক মোবাইল ফোন ও সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। এগুলি খতিয়ে দেখে গোটা নেটওয়ার্ক এবং সম্ভাব্য বিদেশি যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে, এই গোষ্ঠীর সদস্যরা আইএসআই-সংযুক্ত হ্যান্ডলার এবং বাংলাদেশভিত্তিক কিছু সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগে ছিল। চলতি তদন্তে দিল্লি পুলিশকে সহায়তা করছে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি।

গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, লস্কর একটি ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) হামলার ছকও কষতে পারে। সূত্রের দাবি, ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামাবাদের একটি মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনার বদলা নিতেই এই চক্রান্ত করা হয়ে থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বর মাসে লালকেল্লা সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন প্রায় ২০ জন। 

POST A COMMENT
Advertisement