গ্রেফতার অভিযুক্ত গুজরাতে নিন্দনীয় ঘটনা। বাবার কাছে ধর্ষিতা দুই সৎ মেয়ে। তারা দুজনেই গর্ভবতী হয়ে পড়ে। আর তা জানাজানি হতেই ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য। অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি গুজরাতের নাভসারি জেলার চিখলি গ্রামাঞ্চলের। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তি তার দুই সৎ মেয়েকে জঙ্গলে নিয়ে যেত। কাঠ কাটার অজুহাতে নিয়ে গিয়ে প্রায় ধর্ষণ করত। দুই নাবালিকার বয়স ১২ ও ১৩ বছর। তাদের ধর্ষণ করা হলেও মা বুঝতে পারেননি।
ঘটনাটি সামনে আসে প্রথম ১২ বছরের নাবালিকার মাধ্যমে। তার পেটে ব্যথা শুরু হয়। তখন তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করানো হয়। আর রিপোর্ট দেখেই চক্ষু চড়কগাছ ডাক্তারের। দেখা যায় সেই মেয়েটি ৫ মাসের গর্ভবতী।
এই ঘটনা সামনে আসার পরই ভয় পেয়ে যায় ১৩ বছরের নাবালিকাও। সেও সামনে নিয়ে আসে সত্যিটা। জানায়, তাদের সৎ বাবা দিনের পর দিন দুই বোনকে ধর্ষণ করত। তার সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটেছে। ছোটো মেয়ের মতো বড় মেয়েরও পরীক্ষা করানো হয়। দেখা যায় সেও ২ মাসের গর্ভবতী। এরপরই খবর দেওয়া হয় পুলিশকে।
ঘটনা নিয়ে নভসারি জেলার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুই মেয়ে তার সৎ বাবার দ্বারা গর্ভবতী হয়ে পড়ে। থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ভুক্তভোগীদের মা ওই ব্যক্তির সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে থাকতেন। তাঁর অন্য একটা বিয়ে ছিল। সেই বিয়েরই সন্তান এই দুই নাবালিকা। তারাও মায়ের সঙ্গে থাকত। আর তারই সুযোগ নিয়েছে অভিযুক্ত।
তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি দুই নাবালিকাকে বারবার জঙ্গলে কাঠ কাটার নাম করে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করত। অনেকদিন ধরেই তা চলছিল।