লোকের OTP নিয়ে WhatsApp এ বেচত জুহাব, সুমন শেখরা; মুর্শিদাবাদে গ্রেফতার

Murshidabad OTP scam: মোবাইলের OTP বিক্রি করে চলছিল বেআইনি কারবার। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মুর্শিদাবাদ থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। 

Advertisement
লোকের OTP নিয়ে WhatsApp এ বেচত জুহাব, সুমন শেখরা; মুর্শিদাবাদে গ্রেফতার মুর্শিদাবাদ থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। 
হাইলাইটস
  • মোবাইলের OTP বিক্রি করে চলছিল বেআইনি কারবার।
  • মুর্শিদাবাদ থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। 
  • জুহাব শেখ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Murshidabad OTP scam: মোবাইলের OTP বিক্রি করে চলছিল বেআইনি কারবার। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মুর্শিদাবাদ থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। 

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মুর্শিদাবাদ জেলার গুধিয়া এলাকা থেকে জুহাব শেখ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সূত্রের খবরের ভিত্তিতে গত ১০ ফেব্রুয়ারি এই অভিযান চালানো হয়।

হোয়াটসঅ্যাপে বিক্রি হত OTP 
STF সূত্রে জানা গিয়েছে, জুহাবকে জেরা করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে আসে। তদন্তে উঠে আসে, জুহাব এবং তাঁর সহযোগী সুমন শেখ মিলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে OTP শেয়ার করতেন। এর বদলে তাঁরা টাকা নিতেন।

তদন্তকারীদের মতে, এই OTP-গুলি বিভিন্ন বেআইনি কাজে ব্যবহার করা হত। সাধারণ ভাবে ব্যাঙ্কিং, সোশ্যাল মিডিয়া বা সরকারি পরিষেবায় লগ ইন, টাকা লেনদেন সংক্রান্ত কাজে OTP ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই গোপন কোড বিক্রি করেই অভিযুক্তরা প্রতারকদের সাহায্য করছিলেন বলে অভিযোগ।

দ্বিতীয় অভিযুক্ত সুমন শেখও গ্রেফতার
জুহাবের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারীরা সুমন শেখের খোঁজ শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মুর্শিদাবাদের গুধিয়া দরগাতলা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর সুমনকে বিধান নগর আদালতের ACJM-এর এজলাসে পেশ করা হয়। আদালত তাঁকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন যুক্ত থাকতে পারেন।

জাতীয় নিরাপত্তা লঙ্ঘনের আশঙ্কা
এই ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ভারতীয় টেলিগ্রাফ আইন, ১৮৮৫ এবং ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫ অনুযায়ী মামলা দায়ের হয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থার অনুমান, OTP ব্যবহার করে ভুয়ো ডিজিটাল পরিচয় তৈরি করা হতে পারে। এর মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকদের বেআইনি ভাবে ভারতে থাকা বা প্রবেশের সুবিধা দেওয়া হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মোবাইল ফোনই ছিল মূল হাতিয়ার
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এই বেআইনি চক্র চালানো হত। অভিযুক্তরা মূলত OTP সংগ্রহ করে তা অন্যদের কাছে বিক্রি করতেন।

Advertisement

এই ধরনের কাজের মাধ্যমে ব্যাঙ্ক জালিয়াতি, পরিচয় চুরি এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হতে পারে বলে আশঙ্কা পুলিশের।

তদন্তে আরও বড় চক্র ফাঁস হতে পারে
STF সূত্রে খবর, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের অন্যান্য জড়িতদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।

তদন্তকারীদের মতে, এটি একটি বড় সংগঠিত চক্রের অংশ হতে পারে। ধৃতদের মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আরও গ্রেফতার হতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের। 

POST A COMMENT
Advertisement