Madhya Pradesh Horror: নাবালককে থেঁতলে মেরে রক্ত, মাংস খেল লোকটা, মধ্যপ্রদেশের 'নরখাদক'কে চিনে নিন

মধ্যপ্রদেশের এক গ্রামে বিভীষিকাময় ঘটনা। এক নাবালককে হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে মেরে তার রক্তপান এবং মাংস ছিঁড়ে খাওয়ার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। নরখাদক আতঙ্কে গোটা গ্রাম।

Advertisement
 নাবালককে থেঁতলে মেরে রক্ত, মাংস খেল লোকটা, মধ্যপ্রদেশের 'নরখাদক'কে চিনে নিন
হাইলাইটস
  • নাবালককে হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে হত্যা!
  • তার রক্তপান এবং মাংস ছিঁড়ে খাওয়ার অভিযোগ
  • নরখাদক আতঙ্কে মধ্যপ্রদেশ

গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে নরখাদক! আতঙ্ক মধ্যপ্রদেশের দামো জেলায়। গ্রামবাসীদের দাবি, এক নাবলককে হত্যা করে তার রক্ত পান করেছে এক ব্যক্তি। ছিঁড়ে খেয়েছে মাংসও। ভয়ঙ্কর সেই ঘটনা নাকি স্থানীয়দের মোবাইল ক্যামেরাতেও বন্দি হয়েছে। এখন তা ঘুরছে ফোনে ফোনে। ইতিমধ্যেই ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম গুদ্দা প্যাটেল। 

ঠিক কী ঘটেছে?
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত কিশোরের নাম ভরত বিশ্বকর্মা (১৬)। সে তার বোনের বাড়িতে নিমন্ত্রণে যাচ্ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ অভিযুক্ত পিছন থেকে তাকে আক্রমণ করে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রথমনে লোহার রড দিয়ে নাবালকের মাথায় আঘাত করা হয়। এরপর হাতুড়ি দিয়ে বারবার আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে ওই নাবালক। দামো জেলার পুলিশ সুপার এইচআর পাণ্ডে বলেন, 'ছেলেটির মাথায় আঘাত করা হয়। রড ও হাতুড়ি দিয়ে মারা হয়েছে তাকে। একাধিকবার নৃশংস ভাবে আঘাত করা হয়েছে। এরপর অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।'

গ্রামবাসীদের দাবি, হত্যার পর অভিযুক্ত নাবালকের মাথা থেকে বের হওয়া রক্ত পান করতে শুরু করেছিল। শরীরের মাংস ছিঁড়ে খাওয়ারও চেষ্টা করেছিল সে। আশাপাশের কয়েকজন সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দিও করেছে। পরে সেই ভিডিও স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকায় তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়। 

ঘটনার পর অভিযুক্ত পাশের মাঠের দিকে পালানোর চেষ্টা করলে গ্রামবাসীরা তাকে তাড়া করে। একটা সময়ে তাকে ঘিরে ফেলা হয়। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। এরপর পুলিশ এসে তাকে আটক করে। তখনও অভিযুক্ত আক্রমণাত্মক আচরণ করছিল। আশপাশের লোকজনের উপর হামলার চেষ্টাও করছিল। 

এদিকে, গুরুতর আহত অবস্থায় ভরত নামে ওই নাবালককে দামো জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

তদন্তে জানা গিয়েছে, নিহত ও অভিযুক্তের মধ্যে কোনও পূর্ব শত্রুতার তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচছে এটি হঠাৎ এবং কোনও বিনা উস্কানিতেই হামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তের অতীতে হিংসাত্মর অপরাধের ইতিহাস রয়েছে এবং স্ত্রীর হত্যার মামলাতেও সে জেল খেটেছে। 

Advertisement

এখন পুলিশ অভিযুক্তের মানসিক অবস্থা পরীক্ষা করার জন্য চিকিৎসার বন্দোবস্ত করছে। ঘটনার সময় প্রত্যক্ষদর্শী যারা ছিলেন, তাদের বয়ান রেকর্ড করা হচ্ছে। যারা ঘটনাস্থলের ভিডিও তুলেছেন, সেই ফুটেজগুলি পরীক্ষা করা হচ্ছে। নৃশংস এই কাণ্ডে গোটা গ্রাম আতঙ্কিত। 

 

POST A COMMENT
Advertisement