সম্প্রতি 'বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু'র সাকসেস পার্টি একফ্রেমে ধরা দিলেন সোহিনী ও শোভন। আর সেখানেই সাংবাদিকদের তাঁরা জানান যে তাঁদের ছেলের নাম বীরপুরুষ নয়, বরং সুন্দর একটি নাম রেখেছেন তাঁরা। সদ্য মাতৃত্বের আনন্দের ছাপ সোহিনীর চোখে মুখে স্পষ্ট।
শাহরুখের গান প্রকাশ্যে আসার পর থেকে কিং খানের অনুরাগীদের উচ্ছ্বাসের শেষ নেই। অন্যদিকে গানটি নিয়ে শোনা যাচ্ছে সমালোচনাও।
কিন্তু ৩ নভেম্বর নায়িকার জন্মদিনে রাজ বুঝিয়ে দিলেন যে তাঁর কাছে শুভশ্রী কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে টুইস্ট ছিল বার্থডে পার্টিতে। এদিন জন্মদিনের পার্টিতে দেব না থেকেও ছিলেন।
২০০২ সালে অর্পিতা পালকে বিয়ে করেন প্রসেনজিৎ। গত দুদশকের বেশি সময় ধরে তাঁদের সংসার। প্রসেনজিৎ-অর্পিতার ছেলে তৃষাণজিৎ। গত কয়েক বছরে তারকা দম্পতির দাম্পত্যে চিড় ধরা নিয়ে কম গুঞ্জন হয়নি। অর্পিতাকে এখন বেশিরভাগ সময় মুম্বইতে থাকতে হয়। মাঝে মধ্যে কলকাতায় আসেন তিনি।
বর্ধমান জেলার এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে নিজের প্রতিভা ও পরিশ্রমের জোরে বিনোদন জগতে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার গল্পই শুভশ্রীর জীবনকে করে তুলেছে অনুপ্রেরণার। আজ ৩ নভেম্বর শুভশ্রীর জন্মদিন। উইকিপিডিয়া বলছে শুভশ্রীর বয়স ৩৫ বছর।
সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবও তার রং, রূপ বদল করেছে। বদলেছে তার রূপরেখাও। তবে সবচেয়ে বেশিবার যেটা বদল হয়েছে, সেটা হল এই উৎসবের লোগো। বাম আমলের পুরনো লোগো বদলে গেল তৃণমূল জমানায় আর ১১ বছর পর ফের বিজেপি সরকারের আমলে সেই লোগো বদল হল।
পুজো থেকে ক্রিসমাস, এই উৎসবের মরশুমে টলিউডও বলিউডকেই ফলো করছে। কিন্তু বাধ সাধছে হিন্দি ও হলিউড ছবির মুক্তি। বরাবরই হিন্দি ও ইংলিশ ছবির দাপটে বাংলা ছবিকে পিছু হটতে হয়েছে। অতীতেও এই ধরনের বিষয় সামনে এসেছে।
তবে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালা বদল ঘটেছে। বিজেপি সরকারের হাত ধরে বাংলা বিনোদন জগতের অরাজকতা একরকম শেষ হয়েছে। ভেঙে গেছে ফেডারেশন, ইমপা সহ বহু সংগঠন, গিল্ড। সিনেপাড়ার সেই অচলাবস্থার নিষ্পত্তি করতেই মাস দুয়েক আগে সরাসরি নির্বাচনের (Tollywood Election) মাধ্যমে টলিউডের ‘নর্দমা সাফ করা’র হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী।
তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উপদেষ্টা মিঠুন চক্রবর্তী এই নতুন লোগোর উদ্বোধন করেন। এই বৈঠকে এদিন উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ, হিরণ চট্টোপাধ্য়ায়, পাপিয়া অধিকারী, মিঠুন চক্রবর্তী, জিৎ, রুদ্রনীল ঘোষ, সুদেষ্ণা রায়, হরনাথ চক্রবর্তী সহ টলিপাড়ার একাধিক চেনা মুখেরা।
এই সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে কাঞ্চনের ব্যক্তিগত জীবনও। যেখানে শ্রীময়ী জানান যে এখনও কাঞ্চনের সঙ্গে তাঁর প্রথম স্ত্রীর যোগাযোগ রয়েছে। শ্রীময়ী বলেন, তিরিশ বছর কাঞ্চন ইন্ডাস্ট্রিকে কিছু দেয়নি, শুধু তিনটে বউ দিয়েছে, ওর প্রথম বউয়ের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ রয়েছে।
একটা সময় টলিউডে বিশ্বাস ব্রাদার্সদের দাপটে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির করুণ অবস্থা কারোরই নজর এড়ায়নি। কখনও শ্যুটিং বন্ধ, কখনও অভিনেতা-পরিচালকদের ব্যান করে দেওয়া, শ্যুটিংয়ে অনৈতিকভাবে একাধিক নিয়ম লাগু, বাইরে থেকে কোনও কাজ না আসতে দেওয়া...এই সব সংস্কৃতির জেরে টলিউডে অভিনেতা-অভিনেত্রী, কলা-কুশলীরা বেশ অস্বস্তিতে ছিলেন বহু বছর ধরে।