সায়ক-সৌমিতৃষাএকসময় সায়ক ও সৌমিতৃষার বন্ধুত্ব ছিল গলায় গলায়। তাঁদের একসঙ্গে প্রায়ই দেখা যেত। একসঙ্গে ভ্লগও তৈরি করতেন তাঁরা। কিন্তু সেই বন্ধুত্বে হঠাৎ করেই চিড় ধরে। যদিও তার পিছনে থাকা কোনও কারণ সামনে আসেনি কোনওদিন। কিন্তু সায়ক ও সৌমিতৃষাকে কোনওদিন একসঙ্গে দেখা যায়নি। যে যার মতো নিজেদের কেরিয়ারে মনোনিবেশ করেঠছেন। মাঝে সায়কের গোমাংস বিতর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় নাম না করে একাধিক অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছিল সৌমিতৃষাকে। যদিও জনপ্রিয় ইউটিউবার এই নিয়ে কিছু বলেননি। তবে নায়িকার জন্মদিনে আবেগঘন পোস্ট করলেন সায়ক, যদিও তা কিছুক্ষণ পরেই মুছে দেন তিনি।
সৌমিতৃষার জন্মদিনে কী লিখলেন সায়ক? অভিনেতা তথা ভ্লগার সায়ক লেখেন, মানুষ বদলায়, সম্পর্কের সমীকরণ বদলায় কিন্তু স্মৃতি গুলো থেকে যায়...’! সঙ্গে বন্ধুর জন্য তাঁর বার্তা, ‘একসাথে সাইকেল শেখানো, একসাথে লোকের বাড়ির ছাদে উঠে তার প্রথম পোস্টার দেখতে যাওয়া, ইনস্টাগ্রাম ফেসবুক একাউন্ট ভেরিফাইড করে দেওয়া, উইকিপিডিয়া পেজ তৈরি করে দেওয়া, যখনই ওর মন খারাপ হত ডেকে পাঠানো, আর আমার সব ছেড়ে ছুটে যাওয়া… কি করে যে ভুলি… শুভ জন্মদিন বন্ধু! অনেক নাম করো, অনেক কাজ করো আর তোর MLA/MP হওয়ার স্বপ্ন তাড়াতাড়ি পূরণ হোক।
এই পোস্ট করেই সায়ক তা তড়িঘড়ি মুছে ফেলেন। আসলে গোমাংস-কাণ্ডের পর নতুন করে তাঁকে নিয়ে কোনও বিতর্ক হোক, তা তিনি চাননা। আর তাই হয়তো সৌমিতৃষাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েও তা মুছে দিলেন। একটা সময় সায়ক ও সৌমিতৃষার পারিবারিক বন্ধুত্ব ছিল। একসঙ্গে ঘুরতে যাওয়া থেকে ক্যাফেতে যাওয়া, সবটাই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হত। সেই বন্ধুত্বেই হঠাৎ করে চিড় ধরে।
যদিও পার্কস্ট্রিটের রেস্তোরাঁয় বিফ-বিতর্কে সায়ক জড়ানোর পর পাশে দাঁড়াননি সৌমিতৃষা। উলটে কালরাত্রি পরিচালক অয়ন চক্রবর্তী ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে পালটা ক্ষোভ উগড়ে দেন। এমনকী সৌমিতৃষা এও জানান যে তাঁকে ব্যবহার করেও টাকা কামিয়েছেন সায়ক। প্রসঙ্গত, পার্কস্ট্রীটের এক রেস্তোরাঁয় মাটনের পরিবর্তে গোমাংস পরিবেশন করায় সায়ক সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে তুলকালাম করেন। এই ঘটনায় গ্রেফতারও হতে হয় রেস্তোরাঁ কর্মীকে। নেটিজেনদের বেশিরভাগই চলে যায় সায়কের বিপক্ষে। এমনকী টলিপাড়াও। এখন আপাতত পরিস্থিতি কিছপটা ঠান্ডা এবং সায়কও আগের মতো কনটেন্ট পোস্ট করতে শুরু করেছেন।